আর্কাইভ
ads
logo

বিজয়ী ৯১.২৫ শতাংশ প্রার্থী কোটিপতি

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশকাল: ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১০:১১ এ.এম
বিজয়ী ৯১.২৫ শতাংশ প্রার্থী কোটিপতি

ছবিঃ সংগৃহীত

ads

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী জন প্রতিনিধিদের তথ্য বিশ্লেষণ করে এক চাঞ্চল্যকর প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)। প্রতিবেদনে দেখা গেছে, নবনির্বাচিত ২৯৭ জন সংসদ সদস্যের মধ্যে ২৭১ জনই কোটি টাকার অধিক সম্পদের মালিক, যা শতাংশের হিসেবে ৯১ দশমিক ২৫ শতাংশ। গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে নবনির্বাচিতদের ব্যক্তিগত ও আর্থিক তথ্যের এই খতিয়ান তুলে ধরা হয়।

সুজন সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদারের সঞ্চালনায় এবং কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক দিলীপ কুমার সরকারের উপস্থাপনায় জানানো হয়, বিজয়ীদের মধ্যে ১৮৭ জন বা প্রায় ৬৩ শতাংশ প্রার্থীর সম্পদের পরিমাণ ৫ কোটি টাকার উপরে। দলীয় ভিত্তিতে দেখা গেছে, বিএনপির ২০৯ জন সংসদ সদস্যের মধ্যে ২০১ জন বা ৯৬ শতাংশের বেশি কোটিপতি। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামীর ৬৮ জন সংসদ সদস্যের মধ্যে ৫২ জন বা ৭৬ শতাংশেরও বেশি সদস্যের সম্পদ কোটি টাকার উপরে। বিশ্লেষণে আরও দেখা যায়, এবারের নির্বাচনে সাধারণ প্রার্থীদের তুলনায় জয়ী প্রার্থীদের মধ্যেই কোটিপতির হার অনেক বেশি।

সংসদ সদস্যদের শিক্ষাগত যোগ্যতা ও পেশার বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, বিজয়ীদের বড় একটি অংশ উচ্চশিক্ষিত। এর মধ্যে প্রায় ৪৬ শতাংশ স্নাতকোত্তর এবং ৩১ শতাংশ স্নাতক ডিগ্রিধারী। মাত্র ২ দশমিক ৬৯ শতাংশ সদস্যের পিএইচডি ডিগ্রি রয়েছে। পেশার ক্ষেত্রে বরাবরের মতোই ব্যবসায়ীদের আধিপত্য লক্ষ্য করা গেছে। নবনির্বাচিতদের ৬১ শতাংশের বেশি সদস্য পেশায় ব্যবসায়ী, যা দ্বাদশ সংসদের তুলনায় কিছুটা কমলেও সাধারণ প্রার্থীদের তুলনায় অনেক বেশি। আইন ও শিক্ষকতা পেশার প্রতিনিধিত্ব থাকলেও কৃষি বা সরাসরি রাজনীতির সঙ্গে যুক্তদের হার বেশ সীমিত।

বয়স ও মামলার তথ্যে দেখা যায়, নির্বাচিতদের অধিকাংশেরই বয়স ৫৫ থেকে ৭৫ বছরের মধ্যে। তরুণ প্রজন্মের প্রতিনিধি বা ৩৫ বছরের নিচের সংসদ সদস্যের সংখ্যা মাত্র ১১ জন। মামলার বিষয়ে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, প্রায় ৪৮ শতাংশ সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে বর্তমানে মামলা রয়েছে এবং অতীতে মামলা ছিল ৬২ শতাংশের বেশি সদস্যের বিরুদ্ধে। এর মধ্যে ৪৩ জন সদস্যের বিরুদ্ধে বর্তমানে ৩০২ ধারার বা হত্যা মামলা চলমান রয়েছে। ঋণের তথ্য পর্যালোচনায় দেখা গেছে, প্রায় অর্ধেক সদস্যই বিভিন্নভাবে ঋণগ্রস্ত এবং তাদের একটি বড় অংশ ৫ কোটি টাকার অধিক অংকের ঋণ নিয়েছেন, যা গত নির্বাচনের তুলনায় বৃদ্ধি পেয়েছে।

ads

এই বিভাগের আরও খবর

ads
ads
manusherkotha

manusherkotha

সর্বশেষ খবর

হাইলাইটস

বিশেষ সংবাদ