আর্কাইভ
ads
logo

ট্রাম্পের সভাপতিত্বে শুরু হচ্ছে বোর্ড অব পিসের বৈঠক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশকাল: ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৭:৪১ পি.এম
ট্রাম্পের সভাপতিত্বে শুরু হচ্ছে বোর্ড অব পিসের বৈঠক

ছবিঃ সংগৃহীত

ads

ফিলিস্তিনের যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা উপত্যকার অবকাঠামো পুনর্নির্মাণ ও ভবিষ্যৎ রূপরেখা নির্ধারণে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উদ্যোগে গঠিত ‘বোর্ড অব পিস’-এর প্রথম সম্মেলন শুরু হতে যাচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) ওয়াশিংটনে নবনামকরণকৃত ‘ডোনাল্ড জে. ট্রাম্প ইউএস ইনস্টিটিউট অব পিস’-এ এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। গাজার রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা অমীমাংসিত প্রশ্নের মধ্যেই ৪৫টিরও বেশি দেশের প্রতিনিধিরা এই সম্মেলনে অংশ নিচ্ছেন।

সম্মেলনের সভাপতিত্ব করবেন খোদ ডোনাল্ড ট্রাম্প। উদ্বোধনী এই অধিবেশনে গাজা পুনর্গঠন তহবিলের জন্য সংগৃহীত ৫ বিলিয়ন ডলারের প্রাথমিক কিস্তির ঘোষণা আসার কথা রয়েছে। মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে, এই তহবিলের একটি বড় অংশ আসছে উপসাগরীয় দেশগুলো থেকে, যার মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কুয়েত প্রত্যেকে ১.২ বিলিয়ন ডলার করে প্রদানের অঙ্গীকার করেছে। এছাড়া ওয়াশিংটন নিজেও এই তহবিলে বড় অংকের অর্থায়ন করছে। এই প্রাথমিক অর্থ মূলত গাজার মানবিক সহায়তা, চিকিৎসা এবং জরুরি অবকাঠামো সংস্কারে ব্যয় করা হবে।

বোর্ড অব পিসের এই উদ্যোগ কেবল অর্থায়নেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং গাজায় দীর্ঘমেয়াদী শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে একটি ‘আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনী’ (আইএসএফ) মোতায়েনের পরিকল্পনাও চূড়ান্ত করা হচ্ছে। এই বাহিনীতে অংশ নিতে ইতোমধ্যে বেশ কিছু মুসলিম ও আরব দেশ হাজার হাজার সেনা পাঠানোর প্রস্তাব দিয়েছে, যার মধ্যে ইন্দোনেশিয়া একাই ৮ হাজার সেনা পাঠানোর আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এই আন্তর্জাতিক বাহিনীর মূল লক্ষ্য হবে গাজায় শান্তি বজায় রাখা, ইসরায়েলি সেনাদের পর্যায়ক্রমিক প্রত্যাহার নিশ্চিত করা এবং হামাস যোদ্ধাদের নিরস্ত্রীকরণ প্রক্রিয়ায় তদারকি করা।

তবে এই নতুন সংস্থাকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে বোর্ড অব পিসের কাঠামোতে ইসরায়েল থাকলেও কোনো ফিলিস্তিনি প্রতিনিধিকে অন্তর্ভুক্ত না করায় ন্যায়বিচার ও স্থানীয় গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অনেক বিশ্লেষক মনে করছেন, ডোনাল্ড ট্রাম্পের ব্যক্তিগত কর্তৃত্বে পরিচালিত এই সংস্থাটি প্রকারান্তরে জাতিসংঘের কার্যকারিতাকে চ্যালেঞ্জ করছে এবং বৈশ্বিক কূটনীতির বিকল্প মঞ্চ তৈরির চেষ্টা চালাচ্ছে। তা সত্ত্বেও গাজার ধ্বংসস্তূপ থেকে নতুন জীবন ফিরিয়ে আনার এই প্রকল্পকে ট্রাম্প প্রশাসন ‘ইতিহাসের সবচেয়ে প্রভাবশালী শান্তি উদ্যোগ’ হিসেবে দাবি করছে।

ads

এই বিভাগের আরও খবর

ads
ads
manusherkotha

manusherkotha

সর্বশেষ খবর

হাইলাইটস

বিশেষ সংবাদ