গোলের পর গোল—হ্যারি কেইনের সামনে যেন নতুন কোনো চ্যালেঞ্জই নেই। ওয়ার্ডার ব্রেমেনের বিপক্ষে জোড়া গোল করে পেশাদার ক্যারিয়ারে ৫০০তম গোলের অনন্য উচ্চতায় পৌঁছালেন ইংল্যান্ডের এই তারকা ফরোয়ার্ড। তার দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে বায়ার্ন মিউনিখ জিতেছে ৩-০ ব্যবধানে।
বুন্দেস লিগার ম্যাচে শুরু থেকেই আধিপত্য দেখায় ভিনসেন্ট কোম্পানির দল। রেলিগেশন শঙ্কায় থাকা ব্রেমেনের মাঠে খেলতে নেমেও আত্মবিশ্বাসী ফুটবল উপহার দেয় বাভারিয়ানরা। এই জয়ে ২২ ম্যাচে বায়ার্নের সংগ্রহ দাঁড়িয়েছে ৫৭ পয়েন্ট। দুইয়ে থাকা বরুসিয়া ডর্টমুন্ডের পয়েন্ট ৫১—ফলে ব্যবধান এখন ৬।
ম্যাচের ২৫ মিনিটে প্রথম গোল পায় বায়ার্ন। ১৭ বছর বয়সী মিডফিল্ডার লেনার্ট কার্ল ডি-বক্সে ফাউলের শিকার হলে পেনাল্টি পায় দলটি। স্পট কিক থেকে নির্ভুল শটে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন কেইন। তিন মিনিট পরই ডি-বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া নিচু শটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন তিনি। এ নিয়ে টানা তৃতীয় ম্যাচে গোল পেলেন এই ইংলিশ স্ট্রাইকার। চলতি মৌসুমে বুন্দেস লিগায় ২২ ম্যাচে তার গোলসংখ্যা এখন ২৬।
৭০ মিনিটে বায়ার্নের তৃতীয় গোলটি আসে লিওন গোরেৎজকার পা থেকে। ডি-বক্সে আলফনসো ডেভিসের পাস পেয়ে শট নিয়ে ব্রেমেন গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন তিনি। তবে প্রথমার্ধেই পায়ের মাংসপেশিতে চোট পেয়ে মাঠ ছাড়েন বায়ার্নের জার্মান গোলরক্ষক ম্যানুয়েল নয়্যার।
এই জয়ের ফলে শুধু পয়েন্ট টেবিলেই নয়, গোল ব্যবধানেও শীর্ষ অবস্থান আরও মজবুত করেছে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা।
ম্যাচ শেষে নিজের মাইলফলক নিয়ে কথা বলেন কেইন। ২০১১ সালে ইংল্যান্ডের তৃতীয় স্তরের প্রতিযোগিতায় লেইটন ওরিয়েন্টের হয়ে ১৭ বছর বয়সে প্রথম পেশাদার গোল করেছিলেন তিনি। ১৫ বছর পর ৩২ বছর বয়সে ৫০০তম গোলের অনুভূতি জানাতে গিয়ে বলেন, ‘অবশ্যই ৫০০ গোলের মাইলফলক ছোঁয়া অনেক গর্বের অর্জন, চমৎকার বিষয়। এই পর্যন্ত আসতে অনেক কঠোর পরিশ্রম ও ত্যাগ স্বীকার করতে হয়েছে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আজ জিতেছি, ক্লিনশিটও রয়েছে।’







