আর্কাইভ
ads
logo

বিশ্বকাপ ইস্যুতে স্বস্তি পেল বিসিবি, শাস্তি নয়—আসছে নতুন আইসিসি ইভেন্ট

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশকাল: ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০১:৪৫ পি.এম
বিশ্বকাপ ইস্যুতে স্বস্তি পেল বিসিবি, শাস্তি নয়—আসছে নতুন আইসিসি ইভেন্ট

ads

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত ঘিরে যে শাস্তির আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল, তা থেকে স্বস্তি পেল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) স্পষ্ট করেছে—এ কারণে বিসিবির ওপর কোনো ধরনের শাস্তি বা জরিমানা আরোপ করা হবে না। বরং ২০৩১ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপের আগেই বাংলাদেশকে আরও একটি বৈশ্বিক আইসিসি টুর্নামেন্ট আয়োজনের সুযোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংস্থাটি।

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) আইসিসির প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। এর আগে ভারতের বিপক্ষে পাকিস্তানের ম্যাচ না খেলার সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে রোববার আইসিসির সঙ্গে বৈঠকে বসে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। বৈঠক শেষে রাতে বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানান, ভারতের বিপক্ষে ম্যাচটি খেলতে পাকিস্তানকে অনুরোধ জানানো হয়েছে। এরপরই বাংলাদেশসংক্রান্ত সিদ্ধান্তগুলো প্রকাশ করে আইসিসি।

আইসিসির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে পিসিবি ও বিসিবির সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। সেখানে চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপসহ দক্ষিণ এশিয়ার ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা ও পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত মতবিনিময় হয়।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ না করাকে আইসিসি ‘দুর্ভাগ্যজনক অনুপস্থিতি’ হিসেবে উল্লেখ করেছে। মোস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ার ঘটনার পর নিরাপত্তা উদ্বেগের কথা জানিয়ে নিজেদের ম্যাচ ভারতের পরিবর্তে শ্রীলঙ্কায় আয়োজনের অনুরোধ করেছিল বিসিবি। তবে আইসিসি সেই প্রস্তাবে সম্মতি না দেওয়ায় শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপে অংশ নেয়নি বাংলাদেশ।

একই সঙ্গে আইসিসি বাংলাদেশের ক্রিকেট ঐতিহ্য ও বৈশ্বিক ক্রিকেট বিকাশে দেশের অবদানের কথা তুলে ধরেছে। ২০ কোটির বেশি সমর্থক নিয়ে বাংলাদেশকে বিশ্বের অন্যতম প্রাণবন্ত ক্রিকেট বাজার হিসেবে বর্ণনা করে সংস্থাটি জানিয়েছে, দেশের ক্রিকেট উন্নয়নে তাদের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে না খেলার সিদ্ধান্ত যেন বাংলাদেশের ক্রিকেটে দীর্ঘমেয়াদে কোনো নেতিবাচক প্রভাব না ফেলে, সে বিষয়েও নজর রাখবে আইসিসি।

বিসিবি আলাদাভাবে দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিশ্চিত করেছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে বিশ্বকাপে অংশ না নেওয়ার কারণে বিসিবির ওপর কোনো আর্থিক, খেলাসংক্রান্ত বা প্রশাসনিক শাস্তি কিংবা জরিমানা আরোপ করা হবে না। পাশাপাশি আইসিসির বিদ্যমান বিধিমালার আওতায় বিসিবি চাইলে বিরোধ নিষ্পত্তি কমিটির (ডিআরসি) শরণাপন্ন হওয়ার অধিকারও বহাল থাকবে।

আইসিসি, বিসিবি ও পিসিবির মধ্যে হওয়া সমঝোতার অংশ হিসেবে সিদ্ধান্ত হয়েছে—২০৩১ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপের আগেই বাংলাদেশ একটি আইসিসি ইভেন্ট আয়োজন করবে। তবে এই আয়োজন আইসিসির প্রচলিত আয়োজক নির্বাচন প্রক্রিয়া, নির্ধারিত সময়সূচি এবং পরিচালনাগত শর্ত মেনে অনুষ্ঠিত হবে।

উল্লেখ্য, ২০৩১ সালে ভারতের সঙ্গে যৌথভাবে ওয়ানডে বিশ্বকাপ আয়োজন করার কথা রয়েছে বাংলাদেশের। আইসিসির প্রধান নির্বাহী সনযোগ গুপ্তাকে উদ্ধৃত করে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অনুপস্থিতি দুঃখজনক। তবে এটি বাংলাদেশকে একটি প্রধান ক্রিকেট জাতি হিসেবে আইসিসির দীর্ঘস্থায়ী অঙ্গীকারকে পরিবর্তন করবে না। বিসিবিসহ গুরুত্বপূর্ণ অংশীজনদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে আমরা বাংলাদেশের ক্রিকেটের টেকসই উন্নয়ন এবং খেলোয়াড় ও সমর্থকদের জন্য ভবিষ্যৎ সুযোগ আরও শক্তিশালী করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

ads

এই বিভাগের আরও খবর

এই বিভাগের আরও খবর

ads
ads
manusherkotha

manusherkotha

সর্বশেষ খবর

হাইলাইটস

বিশেষ সংবাদ