সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের জন্য শুরু হচ্ছে পরবর্তী ধাপ। আগামী ২৮ জানুয়ারি থেকে ৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত জেলা পর্যায়ে মৌখিক পরীক্ষার সূচি প্রকাশ করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবু নূর মো. শামসুজ্জামানের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, যেসব জেলায় পরীক্ষার্থীর সংখ্যা বেশি, সেখানে দ্রুত ও স্বচ্ছভাবে সাক্ষাৎকার সম্পন্ন করতে একাধিক বোর্ড গঠন করা হবে। গত ২১ জানুয়ারি প্রকাশিত লিখিত পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে মোট ৬৯ হাজার ২৬৫ জন প্রার্থী মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত হয়েছেন।
মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিতে নির্বাচিত প্রার্থীদের আগামী ২৭ জানুয়ারি ২০২৬-এর মধ্যে নিজ নিজ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে নির্ধারিত কাগজপত্র জমা দিতে হবে। জমা দেওয়ার সময় অনলাইনে আবেদনকালে আপলোড করা ছবি, আবেদনপত্রের কপি, জাতীয় পরিচয়পত্র, লিখিত পরীক্ষার প্রবেশপত্র এবং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দেওয়া নাগরিকত্ব সনদ সংযুক্ত করা বাধ্যতামূলক।
সব কাগজপত্রের ফটোকপি ন্যূনতম নবম গ্রেডের গেজেটেড কর্মকর্তার মাধ্যমে সত্যায়িত করতে হবে। পাশাপাশি জমা দেওয়ার সময় মূল কাগজপত্র জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে দেখিয়ে একটি প্রাপ্তি স্বীকারপত্র সংগ্রহ করতে হবে।
কোটাভুক্ত প্রার্থীদের জন্য আলাদা সনদ জমা দেওয়ার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে। মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ মুক্তিযোদ্ধা ও বীরাঙ্গনার সন্তানদের ক্ষেত্রে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের গেজেট ও সম্পর্কের সনদ, শারীরিক প্রতিবন্ধী বা সুবর্ণ নাগরিক কার্ডধারীদের জন্য সমাজসেবা অধিদপ্তরের সনদ জমা দিতে হবে। ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর প্রার্থীদের ক্ষেত্রে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বা জেলা প্রশাসকের দেওয়া প্রত্যয়নপত্র আবশ্যক।
মৌখিক পরীক্ষার নির্দিষ্ট তারিখ, সময় ও স্থান সংশ্লিষ্ট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের ওয়েবসাইট ও নোটিশ বোর্ডে নিয়মিতভাবে জানানো হবে।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর জানিয়েছে, সাক্ষাৎকারের দিন প্রার্থীদের সব মূল সনদ ও জেলা অফিস থেকে পাওয়া প্রাপ্তি স্বীকারপত্র সঙ্গে আনতে হবে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নীতিমালা অনুসরণ করেই পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়া পরিচালিত হচ্ছে।
বিপুল সংখ্যক প্রার্থীর সাক্ষাৎকার সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে জেলা পর্যায়ের শিক্ষা কর্মকর্তাদের বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নিয়োগপ্রত্যাশীদের সময়মতো কাগজপত্র প্রস্তুত রাখার এবং নির্ধারিত সূচি মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।







