প্রাথমিক সিদ্ধান্তে শুরুতেই মোট ৩০ সদস্যের একটি মন্ত্রিসভা গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে ১২ জন পূর্ণমন্ত্রী এবং ১৮ জন প্রতিমন্ত্রী থাকবেন। এটি শপথ গ্রহণের পর সংশ্লিষ্ট অংশগ্রহণকারীদের আনুষ্ঠানিকভাবে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জানানো হবে।
নতুন সরকারের মন্ত্রিসভা তৈরি নিয়ে দেশ ও বিদেশের রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আগ্রহ বিরাজ করছে। তবে এর চূড়ান্ত তালিকা শুধুমাত্র হবু প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে সংরক্ষিত রয়েছে।
দলীয় সূত্র জানায়, এবারের মন্ত্রিসভা গঠন করার সময় প্রবীণ নেতাদের পাশাপাশি তরুণ ও দক্ষ নেতৃত্বের ভূমিকা গুরুত্ব পাবে। ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে সরকার পরিচালনা করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে।
টেকনোক্র্যাট কোটায় অন্তত চারজন বিশেষজ্ঞ মন্ত্রিসভায় যোগ পেতে পারেন এবং শরিক রাজনৈতিক দলের কয়েকজন নেতাও গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে পারেন বলে দলীয় নেতারা মনে করছেন।
সম্ভাব্য মন্ত্রিসভার সদস্যদের মধ্যে অভিজ্ঞ নেতাদের নাম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে—যেমন মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, খন্দকার মোশাররফ হোসেন, আব্দুল মঈন খান, মির্জা আব্বাস। গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে হতে পারেন আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ ও আলতাফ হোসেন চৌধুরী।
তরুণ ও মেধাবী নেতাদের নামও আলোচনায় রয়েছে, যেমন সানজিদা ইসলাম তুলি ও মাহদী আমিন। শরিক দলগুলোর মধ্যে আন্দালিব রহমান পার্থ, জোনায়েদ সাকি ও নুরুল হক নুর-এর মতো নেতাদের মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে পারে বলে গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে।
নতুন সরকারের একটি মূল বৈশিষ্ট্য হবে—সংসদকে জবাবদিহিতার কেন্দ্রবিন্দুতে রাখার প্রচেষ্টা। তারেক রহমান পূর্বেই দলীয় ফোরামে উল্লেখ করেছেন, মন্ত্রীরা সরাসরি সংসদের কাছে দায়বদ্ধ থাকবেন এবং সংসদীয় কার্যক্রমকে আরও প্রতিশ্রুতিশীল করা হবে।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের শপথ বাক্য পাঠের মাধ্যমে তিন দশক পর বাংলাদেশ পাবে নতুন প্রধানমন্ত্রী ও এক নতুন সরকার।







