শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা রেজাউল করিম হত্যার ঘটনায় ২৩৪ জনকে নামীয় এবং আরও ৪০০ থেকে ৫০০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে মামলা করা হয়েছে। তবে মামলায় কারা কারা আসামি হয়েছেন, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানা যায়নি।
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) রাতে দিবাগত রাতে ঝিনাইগাতী থানায় মামলাটি করেন নিহতের স্ত্রী মোছা. মার্জিয়া।
শেরপুর জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা হাফিজুর রহমান রাতে মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
শেরপুরের সহকারী পুলিশ সুপার (নালিতাবাড়ী সার্কেল) আফসান আল আলম জানান, তদন্তের স্বার্থে আপাতত আসামিদের নাম প্রকাশ করা হচ্ছে না। তিনি বলেন, আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলমান রয়েছে।
এদিকে, জামায়াত নেতা নিহত হওয়ার ঘটনায় বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) ঝিনাইগাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশরাফুল আলম রাসেল এবং ঝিনাইগাতী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নাজমুল হাসানকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, গত ২৮ জানুয়ারি বিকেলে শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানে চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে জামায়াত ও বিএনপির নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে গুরুতর আহত হন শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা রেজাউল করিম। পরে তাঁকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান।







