আর্কাইভ
ads
logo

ঢাকার নদ-নদী রক্ষায় ৩৭ কোটি ডলার অনুমোদন বিশ্বব্যাংকের

অর্থনীতি ডেস্ক

প্রকাশকাল: ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৫:৩০ পি.এম
ঢাকার নদ-নদী রক্ষায় ৩৭ কোটি ডলার অনুমোদন বিশ্বব্যাংকের

ছবিঃ সংগৃহীত

ads

ঢাকার চারপাশের নদ-নদী ও অভ্যন্তরীণ জলাশয়ের দূষণ রোধ এবং স্যানিটেশন ব্যবস্থার আধুনিকায়নে ৩৭ কোটি ডলারের ঋণ সহায়তা অনুমোদন করেছে বিশ্বব্যাংক। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ ৪ হাজার কোটি টাকারও বেশি।

বুধবার সংস্থাটির ঢাকা কার্যালয় থেকে জানানো হয়, ওয়াশিংটনে বিশ্বব্যাংকের নির্বাহী পরিচালকদের সভায় ‘মেট্রো ঢাকা ওয়াটার সিকিউরিটি অ্যান্ড রেজিলিয়েন্স’ শীর্ষক এই প্রকল্পের অর্থায়ন নিশ্চিত করা হয়েছে।

প্রকল্পটির মূল লক্ষ্য হলো ঢাকার সিটি কর্পোরেশনসমূহ ও ঢাকা ওয়াসার প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে নদী ও খালের পানি দূষণমুক্ত করা এবং পানির স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিত করা। এই উদ্যোগের ফলে প্রায় সাড়ে ৫ লাখ মানুষ উন্নত স্যানিটেশন সুবিধার আওতায় আসবে এবং সমপরিমাণ মানুষ আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সেবার সুফল পাবে। বিশেষ করে যেসব এলাকায় নাগরিক সেবার মান অত্যন্ত নাজুক, সেসব এলাকাকে এই প্রকল্পে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

বাংলাদেশ ও ভুটানের জন্য বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর জঁ পেসমে প্রকল্পের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, ঢাকার কোটি মানুষের জীবনের আধার হলো এই জলাশয়গুলো। কিন্তু অপরিকল্পিত নগরায়নের কারণে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সংকটে পড়েছে, যা জনস্বাস্থ্য ও অর্থনৈতিক সক্ষমতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। এই প্রকল্পটি নদী ও খালের হারানো স্বাস্থ্য পুনরুদ্ধারে একটি স্থায়ী কাঠামো তৈরি করবে।

সংস্থাটির এক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ঢাকার মাত্র ২০ শতাংশ মানুষ পরিকল্পিত স্যুয়ারেজ ব্যবস্থার সুবিধা পান। বাকি ৮০ শতাংশেরই অপরিশোধিত বর্জ্য সরাসরি জলাশয়ে গিয়ে মিশছে। এছাড়া শহরের অর্ধেকের বেশি খাল ইতোমধ্যে বিলীন বা বর্জ্যে ভরাট হয়ে গেছে। শিল্পবর্জ্যের ভয়াবহতা তুলে ধরে প্রতিবেদনে বলা হয়, পোশাক খাতের ৮০ শতাংশ কারখানা ঢাকার আশেপাশে অবস্থিত এবং প্রায় ৭ হাজার কারখানা থেকে প্রতিদিন ২ হাজার ৪০০ মিলিয়ন লিটার বর্জ্য নদীতে ফেলা হচ্ছে। এতে ডায়রিয়া, চর্মরোগসহ বিভিন্ন জটিল রোগের প্রাদুর্ভাব বাড়ছে।

বিশ্বব্যাংকের সিনিয়র ওয়াটার স্পেশালিস্ট হর্ষ গোয়েল জানান, এটি একটি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার সূচনা। প্রথম পর্যায়ে ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জের নির্দিষ্ট কিছু অংশে কাজ শুরু হবে। নদীগুলোর দূষণ মাত্রা পর্যবেক্ষণে ‘ডিজিটাল রিয়েল-টাইম মনিটরিং’ ব্যবস্থা চালুর পাশাপাশি শিল্পবর্জ্য শোধনে বেসরকারি খাতকে সম্পৃক্ত করা হবে। এছাড়া বর্জ্য রিসাইক্লিং ও জনসচেতনতা বৃদ্ধিতেও এই প্রকল্পের আওতায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে।

ads

এই বিভাগের আরও খবর

এই বিভাগের আরও খবর

ads
ads
manusherkotha

manusherkotha

সর্বশেষ খবর

হাইলাইটস

বিশেষ সংবাদ