একটু ভারী খাবার খেলেই গ্যাস, অম্বল বা বুক জ্বালা—এখনকার দিনে অনেকেরই পরিচিত সমস্যা। রাতভর হজমের কষ্ট, পরদিন ক্লান্তি, কিন্তু এ সমস্যা দূর করতে দামের ঝুঁকিপূর্ণ ওষুধ নয়, বরং একটি ছোট অভ্যাসই যথেষ্ট। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিদিন সকালে ভেজানো কিশমিশ খেলে শরীরের একাধিক সমস্যা সহজেই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।
হজমশক্তি বৃদ্ধি:
কিশমিশে থাকা ডায়েটারি ফাইবার হজম প্রক্রিয়া মসৃণ রাখে। কোষ্ঠকাঠিন্য কমায়, পেট পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে এবং গ্যাস, অম্বল ও বুক জ্বালা নিয়ন্ত্রণে রাখে।
দীর্ঘস্থায়ী এনার্জি:
প্রাকৃতিক গ্লুকোজ ও ফ্রুক্টোজ শরীরে দ্রুত শক্তি জোগায়। সকালে অতিরিক্ত কফি বা চিনি খাওয়ার প্রয়োজন কমে এবং দিনের মাঝপথে ক্লান্তি কম অনুভূত হয়।
ইমিউনিটি বৃদ্ধি:
ভিটামিন সি এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ কিশমিশ শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। সর্দি, কাশির সঙ্গে সংক্রমণ এবং দুর্বলতা কমাতে সহায়ক।
হাড়ের মজবুতি:
ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম হাড়ের গঠন শক্তিশালী করে, বয়স বাড়ার সঙ্গে হাড়ের ক্ষয় এবং কোমর-হাঁটুর ব্যথা কমাতে সাহায্য করে।
হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্য:
নিয়মিত কিশমিশ খেলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে। ফলে হৃদস্পন্দন বেড়ে যাওয়া, বুক ধড়ফড় করার মতো সমস্যা কমে।
কিভাবে খাবেন:
বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দেন, রাতে শোয়ার আগে এক বাটি পরিষ্কার পানিতে ৮-১০টি কিশমিশ ভিজিয়ে রাখুন। সকালে উঠে পানি ঝরিয়ে খালি পেটে ফুলে ওঠা কিশমিশ খেলে দিন শুরু হবে হালকা পেট, বেশি এনার্জি এবং সুস্থতায়।
এই সহজ অভ্যাসে আপনার শরীর পাবেন প্রাকৃতিক শক্তি ও হজমের স্বাচ্ছন্দ্য, যা প্রতিদিনের জীবনে বড় পরিবর্তন আনতে পারে।
সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন







