পাশাপাশি বলিউডে এবং টেলিভিশনে নিজের অবস্থান পাকা করেছেন পাকিস্তানি অভিনেত্রী হানিয়া আমির। গত বছরের মাঝামাঝিতে ‘সর্দার জি ৩’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে তিনি বলিউডে অভিষেক ঘটান। ২০২৪ সালে ‘কাভি মে কাভি তুম’ সিরিয়ালে অভিনয় করে দর্শক ও সমালোচকদের প্রশংসা কুড়ান। এরপর কিছুদিন নতুন কোনো ধারাবাহিকে দেখা যায়নি তাকে।
প্রায় এক বছরের বিরতির পর আবারও টেলিভিশনে ফিরেছেন হানিয়া। এবার তিনি অভিনয় করছেন ‘মেরি জিন্দেগি হ্যায় তু’ সিরিয়ালে। এই ধারাবাহিকে প্রথমবারের মতো তার বিপরীতে দেখা গেছে বিলাল আব্বাস খানকে। আইরা ও কাময়ার চরিত্রে এই জুটির অভিনয় দর্শকদের নজর কাড়ছে।
সিরিয়ালটি ২০২৫ সালের ৭ নভেম্বর এআরআই ডিজিটালে সম্প্রচার শুরু হয়। ইউটিউবে প্রতিটি পর্বই কোটিরও বেশি ভিউ সংগ্রহ করছে। চলতি বছরের জানুয়ারির শুরুতেই ধারাবাহিকটির মোট ভিউ ৬০০ মিলিয়ন ছাড়িয়ে গেছে।
দর্শক ও সমালোচকদের মধ্যে সিরিয়ালটি ব্যাপক আলোচিত। পাকিস্তানের বাইরে বাংলাদেশ ও ভারতেও এটি দর্শকের মধ্যে সাড়া ফেলেছে। প্রেম, বিশ্বাস, ভুল–বোঝাবুঝি এবং আবেগের টানাপোড়েনের গল্পের কেন্দ্রে কাময়ার ও আইরার সম্পর্কের কাহিনী তুলে ধরা হয়েছে। বিশেষ করে হানিয়া আমির ও বিলাল আব্বাস খানের পর্দার রসায়ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশংসিত হচ্ছে।
তবে সব প্রশংসা নয়, সমালোচনাও রয়েছে। ধীরগতির গল্প বলার ধরন এবং অতিরিক্ত ফ্ল্যাশব্যাক ব্যবহারের কারণে কিছু দর্শক অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। দর্শকদের মত, চিত্রনাট্য আরও সংক্ষিপ্ত ও প্রাঞ্জল হলে দর্শকের আগ্রহ বাড়ত।
সিরিয়ালের টাইটেল গানও আলাদা করে জনপ্রিয়তা পেয়েছে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রেন্ডিংয়ে রয়েছে। ধারাবাহিকটি সিক্স সিগমা প্লাসের প্রযোজনায় নির্মাণ করেছেন মুসাদ্দিক মালেক।
হানিয়া আমিরের বড় পর্দার যাত্রা শুরু হয় ২০১৬ সালে ‘জনান’ সিনেমার মাধ্যমে। পরবর্তী দশক জুড়ে তিনি ‘মেরে হামসাফার’, ‘ফেইরি টেল’, ‘দিলরুবা’ ও ‘আনা’সহ বেশ কিছু জনপ্রিয় ধারাবাহিকে অভিনয় করে ব্যাপক পরিচিতি অর্জন করেছেন।







