আর্কাইভ
ads
logo

ধানের শীষে ভোট দিতে যাওয়ার ঘটনায় স্ত্রীকে তালাকের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশকাল: ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১০:৪০ এ.এম
ধানের শীষে ভোট দিতে যাওয়ার ঘটনায় স্ত্রীকে তালাকের অভিযোগ

ads

ফেনীর চিথলিয়া ইউনিয়নে এক নারীকে (৩২) ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়া নিয়েই বিবাদ তুলে ধরা হয়েছে, যার একপর্যায় স্বামী আনুষ্ঠানিকভাবে তালাক দিয়েছেন—এমন অভিযোগ উঠেছে। কিন্তু স্বামী দাবি করেন, তাদের বিচ্ছেদ ভোটের কারণ নয়, পারিবারিক বিরোধের ফল।

ঘটনাটি সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে পরশুরাম উপজেলার পাগলিরকুল গ্রামে ঘটেছে। অভিযোগ আছে, গৃহবধূ রুনা আক্তার মুন্নি ভোটের আগের রাতে স্বামী নুর মোহাম্মদ সুমন তাকে জিজ্ঞেস করেন তিনি কাকে ভোট দেবেন। রুনা জানান, ছোটবেলা থেকে তাঁর পরিবার ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেয় এবং তিনি সেটিকেই ভোট দেবেন। পরদিন তিনি রাজষপুর আলী আজ্জম উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে গিয়ে ধানের শীষে ভোট দেন।

রুনা আক্তারের বক্তব্য অনুযায়ী, বিষয়টি জানতে পেরে স্বামী প্রথমে নীরব থাকলেও পরদিন ভোরে তাকে ও তাদের বড় ছেলেকে মারধর করেন এবং বাড়ি থেকে জমির কাগজপত্র নিয়ে বের হয়ে যান। পরে প্রতিবেশীদের মাধ্যমে তিনি জানতে পারেন, তাকে আদালতের মাধ্যমে তালাক দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে নুর মোহাম্মদ সুমন বলেছেন, “ধানের শীষে ভোট দেওয়ার কারণে তিনি স্ত্রীকে তালাক দেননি, এটি পারিবারিক অশান্তির ফল।” তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করে বলেন, রুনা আক্তার ভোটারই নন। তবে স্থানীয় কিছু সূত্র থেকে জানা গেছে, রুনা আক্তার সরকারি ভোটার তালিকায় নাম আছে।

সুমন আরও জানান, ১৫ ফেব্রæয়ারি তিনি ফেনী নোটারি পাবলিক কার্যালয়ে এফিডেভিটের মাধ্যমে তালাকনামা রেজিস্ট্রি করে ডাকযোগে পাঠিয়েছেন। তাদের সংসারে দুই ছেলে—মোবারক হোসেন মুরাদ (১০) ও মোহাম্মদ মোস্তাকিম হোসেন (৩) রয়েছে।

স্থানীয় নেতারা এই ঘটনাকে সামাজিক অবক্ষয়ের ইঙ্গিত হিসেবেও উল্লেখ করছেন। চিথলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মুন্সী নজরুল ইসলাম জাহাঙ্গীর ও অন্যান্য নেতাকর্মীরা ঘটনা সম্পর্কে জানতে সুমনের বাড়িতে যান। উপজেলা বিএনপি আহ্বায়ক আবদুল হালিম মানিক বলেন, এ ধরনের ঘটনা সামাজিক অবক্ষয়ের ইঙ্গিত দেয়।

ads

এই বিভাগের আরও খবর

ads
ads
manusherkotha

manusherkotha

সর্বশেষ খবর

হাইলাইটস

বিশেষ সংবাদ