সারাদিন রোজা রাখার পর ইফতারে অতিরিক্ত মসলাদার ও ভাজাপোড়া খাবার খাওয়ার কারণে অনেকেই অ্যাসিডিটির সমস্যায় ভোগেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, খাদ্যাভ্যাসে সামান্য পরিবর্তন আনলেই এ ধরনের অস্বস্তি অনেকটা কমানো সম্ভব। ইফতার ও সেহরিতে অতিরিক্ত তেল-ঝাল এড়িয়ে হালকা, কম মশলাযুক্ত ও তরল খাবার খাওয়ার পাশাপাশি কিছু নির্দিষ্ট খাবার নিয়মিত রাখলে অ্যাসিডিটির ঝুঁকি কমে।
অ্যাসিডিটি কমাতে যেসব খাবার উপকারী
কলা
গ্যাস ও অম্বল কমাতে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় একটি পাকা কলা রাখতে পারেন। কলায় থাকা পটাসিয়াম ও প্রাকৃতিক অ্যান্টাসিড পাকস্থলীর অ্যাসিড নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে এবং পেটের আস্তরণকে সুরক্ষা দেয়। এটি হজম শক্তিও বাড়ায়।
ঠান্ডা দুধ
ইফতারের পর অম্বল হলে এক গ্লাস ঠান্ডা দুধ দ্রুত স্বস্তি দিতে পারে। দুধ পাকস্থলীর অতিরিক্ত অ্যাসিড শোষণ করে। তবে যাদের ল্যাক্টোজ ইনটলারেন্স আছে, তাদের ক্ষেত্রে দুধ এড়িয়ে চলাই ভালো।
ডাবের পানি
লেবুর শরবতের পরিবর্তে প্রাকৃতিক পানীয় হিসেবে ডাবের পানি বেছে নিতে পারেন। এটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও প্রয়োজনীয় খনিজে সমৃদ্ধ, যা অ্যাসিডিটি কমাতে কার্যকর ভূমিকা রাখে।
পুদিনা পাতা
ইফতারের পর অম্বল অনুভব করলে কয়েকটি পুদিনা পাতা চিবিয়ে খেতে পারেন। চাইলে পানিতে পুদিনা পাতা ফুটিয়ে সেই পানি পান করলেও উপকার পাওয়া যায়।
আদা
অ্যাসিডিটির সমস্যা কমাতে সামান্য কুচি আদা লবণ দিয়ে খাওয়া যেতে পারে। আদায় থাকা অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান পাকস্থলীর অস্বস্তি কমায়। আদা খেতে অসুবিধা হলে বিকল্প হিসেবে মৌরি চিবিয়েও খাওয়া যায়, যা গ্যাস ও কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে সাহায্য করে।
রোজার সময় সঠিক খাবার নির্বাচন ও পরিমিত খাদ্যাভ্যাসই অ্যাসিডিটি নিয়ন্ত্রণের সবচেয়ে কার্যকর উপায় বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।







