পাবনার ঈশ্বরদীতে দাদি ও নাতনিকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। শনিবার দিবাগত রাতে নিহত সুফিয়া বেগমের মেয়ে মর্জিনা খাতুন বাদী হয়ে ঈশ্বরদী থানায় এই মামলাটি করেন। এই জোড়া খুনের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ইতোমধ্যে দুই ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মমিনুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আটককৃতরা হলেন— ঈশ্বরদী উপজেলার ভবানীপুর উত্তরপাড়া গ্রামের নুরুল মন্ডলের ছেলে রাব্বি মন্ডল এবং মফেজ্জল হোসেনের ছেলে শরিফুল ইসলাম।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল সকালে ভবানীপুর উত্তরপাড়া গ্রামের একটি বাড়ির আঙিনায় সুফিয়া বেগমের রক্তাক্ত নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখেন পরিবারের সদস্যরা। এর কিছুক্ষণ পর বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে একটি সরিষাক্ষেত থেকে তার নাতনি জামিলা খাতুনের (১৬) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত সুফিয়া বেগম ওই এলাকার মৃত নাজিম উদ্দিন খাঁর স্ত্রী। অন্যদিকে জামিলা স্থানীয় কালিকাপুর দাখিল মাদ্রাসার দশম শ্রেণির ছাত্রী ও হাফেজা ছিল। তারা দুজনেই একই বাড়িতে বসবাস করত।
তদন্তের স্বার্থে এই স্পর্শকাতর মামলাটির দায়িত্ব জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। মামলায় সুনির্দিষ্ট কোনো নাম উল্লেখ না করে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করা হয়েছে।
ওসি মো. মমিনুজ্জামান জানান, আটককৃতদের বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। প্রাথমিক তদন্ত ও জেরা করার সময় এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে তাদের সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়া গেছে। দ্রুতই এই লোমহর্ষক খুনের প্রকৃত রহস্য উন্মোচন করা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।







