পরিবহন খাতে মালিক ও শ্রমিক সংগঠনের পক্ষ থেকে সমঝোতার ভিত্তিতে অর্থ সংগ্রহ করাকে চাঁদাবাজি হিসেবে গণ্য করতে নারাজ নৌপরিবহন, সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং রেলপথ মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি জানিয়েছেন, চাঁদা এবং চাঁদাবাজির মধ্যে মৌলিক পার্থক্য রয়েছে এবং তিনি সেই বিষয়টিই স্পষ্ট করতে চেয়েছেন।
বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে নিরাপদ নৌ-চলাচল নিশ্চিতকরণ সংক্রান্ত এক প্রস্তুতিমূলক সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। সভায় নৌপরিবহন ও সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ ও মো. রাজিব আহসান উপস্থিত ছিলেন।
সড়ক মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত প্রথম বৈঠকে দেওয়া বক্তব্যের প্রেক্ষিতে তৈরি হওয়া সমালোচনার বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে মন্ত্রী বলেন, ‘আমি বিভিন্ন জায়গায় বিষয়টি পরিষ্কার করেছি। তবে সমস্যা হলো, অনেকে সমালোচনা করতে পছন্দ করেন। যারা সমালোচনা করতে চান, তাদের তো থামানো সম্ভব নয়।’
চাঁদা ও চাঁদাবাজির ব্যাখ্যা দিয়ে শেখ রবিউল আলম বলেন, ‘আমি যা বোঝাতে চেয়েছি তা হলো—চাঁদা এবং চাঁদাবাজি দুটি ভিন্ন বিষয়। শ্রমিক ও মালিকরা নিজেদের কল্যাণের স্বার্থে সমঝোতার মাধ্যমে একটি অর্থ নির্ধারণ করেন এবং সেই অর্থ সংগ্রহের নিজস্ব প্রক্রিয়ায় তারা ব্যয় করেন। একে চাঁদাবাজি বলা কঠিন। অন্যদিকে, চাঁদাবাজি হলো সেটি যা মানুষকে বাধ্য করে জোরপূর্বক আদায় করা হয়। কোনো অবৈধ শক্তির মাধ্যমে নির্ধারিত প্রক্রিয়ার বাইরে টাকা তোলা হলে তা কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না।’
মন্ত্রী আরও দৃঢ়তার সাথে বলেন, ‘অবৈধভাবে কোনো শক্তিকে চাঁদাবাজি করার সুযোগ এই মন্ত্রণালয়ে দেওয়া হবে না। যেকোনো মূল্যে সড়কে চাঁদাবাজি বন্ধ রাখতে আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ।’







