আর্কাইভ
ads
logo

ওসমান হাদি হত্যা: সিআইডির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ১১ মার্চ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশকাল: ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৮:৫০ পি.এম
ওসমান হাদি হত্যা: সিআইডির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ১১ মার্চ

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান হাদি। ছবি: সংগৃহীত

ads

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে নতুন তারিখ নির্ধারণ করেছে আদালত। এ মামলার অগ্রগতি নিয়ে পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ১১ মার্চ দিন ধার্য করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন নির্ধারিত ছিল। তবে তদন্তকারী সংস্থা পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) প্রতিবেদন জমা না দেওয়ায় ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম নতুন করে ১১ মার্চ তারিখ নির্ধারণ করেন।

মামলার তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের ১২ ডিসেম্বর জুমার নামাজ শেষে ফেরার পথে আনুমানিক দুপুর ২টা ২০ মিনিটে পল্টন থানার বক্স কালভার্ট রোড এলাকায় সন্ত্রাসীরা ওসমান হাদিকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় এবং ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।

ঘটনার দুই দিন পর, ১৪ ডিসেম্বর ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের বাদী হয়ে পল্টন থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে ১২০(বি)/৩২৬/৩০৭/১০৯/৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় ওসমান হাদিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নেওয়া হলেও ১৮ ডিসেম্বর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। পরবর্তীতে ২০ ডিসেম্বর তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের ভিত্তিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সিদ্দিক আজাদ মামলায় দণ্ডবিধির ৩০২ ধারা (হত্যা) সংযোজনের নির্দেশ দেন।

এর আগে ৬ জানুয়ারি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) পরিদর্শক ফয়সাল আহমেদ ১৭ জনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দাখিল করেন। তবে ওই চার্জশিটে অসন্তোষ প্রকাশ করে ১৫ জানুয়ারি আদালতে নারাজি আবেদন করেন মামলার বাদী। আদালত আবেদনটি গ্রহণ করে মামলাটি অধিকতর তদন্তের জন্য সিআইডির কাছে হস্তান্তরের নির্দেশ দেন।

ডিবির দাখিল করা চার্জশিট অনুযায়ী, মোট ১৭ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে ১১ জন বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন এবং ছয়জন পলাতক।

পলাতক আসামিরা হলেন—প্রধান শুটার ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে রাহুল ওরফে দাউদ, তার সহযোগী আলমগীর হোসেন, রাজধানীর মিরপুরের সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পি, ফিলিপ স্মাল পিলিপস, মুক্তি আক্তার এবং ফয়সালের বোন জেসমিন আক্তার।

অন্যদিকে কারাগারে থাকা আসামিদের মধ্যে রয়েছেন প্রধান অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদের বাবা মো. হুমায়ুন কবির, মা মোসা. হাসি বেগম, স্ত্রী সাহেদা পারভীন সামিয়া, বান্ধবী মারিয়া আক্তার লিমা এবং শ্যালক ওয়াহিদ আহমেদ সিপু।


ads

এই বিভাগের আরও খবর

ads
ads
manusherkotha

manusherkotha

সর্বশেষ খবর

হাইলাইটস

বিশেষ সংবাদ