ইরানের সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান যৌথ অভিযানে সরাসরি কোনো সামরিক অংশগ্রহণে যাবে না যুক্তরাজ্য।
সোমবার (২ মার্চ) ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমার এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে তার দেশের এই অবস্থান পরিষ্কার করেছেন। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, ব্রিটিশ বাহিনী এই হামলায় সরাসরি সম্পৃক্ত হবে না।
প্রধানমন্ত্রী স্টারমার জানান, ইরান থেকে উৎক্ষেপিত হতে যাওয়া ক্ষেপণাস্ত্রগুলো যাতে পথেই রুখে দেওয়া যায় এবং উৎসমুলেই সেগুলো ধ্বংস করা সম্ভব হয়, সেই উদ্দেশ্যে ব্রিটিশ সামরিক ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি চেয়েছে ওয়াশিংটন। বিশেষ করে যেসব স্থানে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র মজুদ করা হয়েছে কিংবা যেখান থেকে হামলার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে, সেই সক্ষমতা কমিয়ে আনাই এই অনুরোধের মূল লক্ষ্য।
বিবৃতিতে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ইরান যাতে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে সাধারণ মানুষের জীবন বিপন্ন করতে না পারে, সেই মানবিক দিক বিবেচনা করেই তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের এই আবেদনে সাড়া দিয়েছেন। তবে তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন যে, সামরিক ঘাঁটি ব্যবহারের সুযোগ দিলেও যুক্তরাজ্য কোনোভাবেই এই অভিযানে সরাসরি আক্রমণকারী পক্ষ হিসেবে যোগ দেবে না।
স্টারমার আরও উল্লেখ করেন যে, ইরানের আকাশপথে হামলার সক্ষমতা খর্ব করার এই প্রচেষ্টায় যুক্তরাজ্যের পাশাপাশি ফ্রান্স ও জার্মানিও নিজেদের সামরিক ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দিতে নীতিগতভাবে সম্মত হয়েছে। মূলত আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা রক্ষা এবং বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষায় ইউরোপীয় দেশগুলো এই কৌশলগত অবস্থানে পৌঁছেছে বলে তার বক্তব্যে ফুটে ওঠে।







