আর্কাইভ
ads
logo

সুরক্ষিত ভবনে খামেনিকে যেভাবে হত্যা করা হলো

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

প্রকাশকাল: ১ মার্চ ২০২৬, ১২:০১ এ.এম
সুরক্ষিত ভবনে খামেনিকে যেভাবে হত্যা করা হলো

ছবিঃ সংগৃহীত

ads

ইরানের দীর্ঘকালীন সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের এক যৌথ সামরিক অভিযানে নিহত হয়েছেন।

রোববার (১ মার্চ) সকালে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম আইআরআইবি এবং আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম ও ফার্স নিউজ আনুষ্ঠানিকভাবে খামেনির ‘শাহাদাত’ বরণের খবর নিশ্চিত করেছে। এই ঘটনায় ইরানে সাত দিনের সরকারি ছুটি এবং ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, শনিবার ভোরে যখন এই ভয়াবহ হামলা চালানো হয়, তখন খামেনি তার শীর্ষ উপদেষ্টাদের নিয়ে একটি সুরক্ষিত স্থানে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে ব্যস্ত ছিলেন। ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের দাবি, অভিযানে খামেনির পাশাপাশি তার অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও শীর্ষ নেতারাও প্রাণ হারিয়েছেন। নিহতদের তালিকায় রয়েছেন সাবেক ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল সচিব আলী শামখানি এবং ইসলামিক রেভোল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) কমান্ডার মোহাম্মদ পাকপোর। এছাড়া হামলায় খামেনির মেয়ে, জামাতা ও নাতিও নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

আল জাজিরা কর্তৃক প্রকাশিত স্যাটেলাইট ছবিতে দেখা গেছে, তেহরানে অবস্থিত খামেনির প্রাসাদটি পুরোপুরি বিধ্বস্ত হয়ে গেছে এবং চারপাশ কালো ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন। বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে বিশালাকার ভবনটি ধসে পড়েছে। যদিও হামলার ধরণ বা কোন ধরণের অস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে, সে সম্পর্কে কোনো পক্ষই বিস্তারিত জানায়নি।

এদিকে খামেনির মৃত্যুর বিষয়টি আগেই নিশ্চিত করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প খামেনিকে ‘ইতিহাসের অন্যতম দুষ্ট ব্যক্তি’ হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি লেখেন, খামেনির মৃত্যু বিশ্বজুড়ে সেই সব আমেরিকানদের জন্য ন্যায়বিচার, যারা তার সন্ত্রাসী দলের হাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। ইসরায়েলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে এই অভিযান সফল করা হয়েছে এবং কোনো প্রভাবশালী নেতাই নজরদারি এড়াতে পারেননি বলে জানান ট্রাম্প।

ইরানের জনগণের উদ্দেশ্যে ট্রাম্প আরও বলেন, এটি তাদের দেশ পুনরুদ্ধারের সবচেয়ে বড় সুযোগ। তিনি দাবি করেন, আইআরজিসি ও পুলিশ বাহিনীর অনেকেই এখন আর যুদ্ধ করতে আগ্রহী নন এবং যুক্তরাষ্ট্রের কাছে নিরাপত্তা চাইছেন। যারা এখন আত্মসমর্পণ করবেন তারা নিরাপত্তা পাবেন, অন্যথায় তাদের মৃত্যু অনিবার্য বলেও কড়া হুঁশিয়ারি দেন তিনি। খামেনির এই আকস্মিক প্রস্থান মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে এক বিশাল শূন্যতা ও নতুন অস্থিরতার জন্ম দিয়েছে।

ads

এই বিভাগের আরও খবর

এই বিভাগের আরও খবর

ads
ads
manusherkotha

manusherkotha

সর্বশেষ খবর

হাইলাইটস

বিশেষ সংবাদ