আর্কাইভ
ads
logo

খামেনিকে হত্যার কঠিন প্রতিশোধ নেওয়ার হুঁশিয়ারি আইআরজিসির

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশকাল: ১ মার্চ ২০২৬, ১০:৩০ এ.এম
খামেনিকে হত্যার কঠিন প্রতিশোধ নেওয়ার হুঁশিয়ারি আইআরজিসির

ads

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর এর চরম প্রতিশোধ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে দেশটির প্রভাবশালী সামরিক বাহিনী ইসলামিক রেভোল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। আজ রবিবার সকালে তেহরান আনুষ্ঠানিকভাবে খামেনির মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করার পর এক বিবৃতিতে এই কঠোর হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ফার্স নিউজের বরাত দিয়ে এই তথ্য জানা গেছে।

আইআরজিসির পক্ষ থেকে দেওয়া শোকবার্তায় বলা হয়েছে, “আমরা এক মহান ও দেশপ্রেমিক নেতাকে হারিয়েছি। মানবতার চরম শত্রু ও নিষ্ঠুর ঘাতকদের হাতে তার এই শাহাদাত প্রমাণ করে যে, খামেনির বলিষ্ঠ নেতৃত্ব ও ব্যক্তিত্ব তাদের জন্য কতটা আতঙ্কের কারণ ছিল।” বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয় যে, এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে থাকা অপরাধীদের ইরান কোনোভাবেই ছাড় দেবে না এবং যেকোনো দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র নির্মূল করতে আইআরজিসি বদ্ধপরিকর।

উত্তেজনার সূত্রপাত হয় গত শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি), যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানে বড় ধরনের সামরিক অভিযান শুরু করে। ওই রাতেই ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু দাবি করেন যে, তাদের অভিযানে খামেনি নিহত হয়েছেন। পরবর্তীতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও এই খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেন। আজ রবিবার সকালে ইরান সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যুর সংবাদটি স্বীকার করে নেয়।

মৃত্যুকালে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির বয়স হয়েছিল ৮৬ বছর। ১৯৮৯ সালে ইরানের প্রথম সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির মৃত্যুর পর তিনি এই দায়িত্ব গ্রহণ করেন। দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে ইরানের সামরিক, বিচার বিভাগ ও গোয়েন্দা সংস্থাসহ রাষ্ট্রীয় সব গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত মূলত তার নির্দেশেই পরিচালিত হতো।

১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর ইরান এক নতুন রাজনৈতিক ধারায় প্রবেশ করে, যেখানে খামেনি ছিলেন অন্যতম প্রধান স্তম্ভ। তার আকস্মিক মৃত্যুতে মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্ব রাজনীতিতে চরম অস্থিরতা ও নতুন সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

ads

এই বিভাগের আরও খবর

এই বিভাগের আরও খবর

ads
ads
manusherkotha

manusherkotha

সর্বশেষ খবর

হাইলাইটস

বিশেষ সংবাদ