আর্কাইভ
ads
logo

পাকিস্তান-আফগান সীমান্ত সংঘাত সমাধানে মধ্যস্থতার প্রস্তাব দিলো ইরান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশকাল: ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৩:৩৪ পি.এম
পাকিস্তান-আফগান সীমান্ত সংঘাত সমাধানে মধ্যস্থতার প্রস্তাব দিলো ইরান

ads

ইরান পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে চলমান উত্তেজনা কমাতে মধ্যস্থতার প্রস্তাব দিয়েছে। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সৈয়দ আব্বাস আরাগচি দুই দেশকে সংলাপে বসার আহ্বান জানান, যাতে নিজেদের মধ্যে বিদ্যমান দ্বন্দ্ব মীমাংসা করা সম্ভব হয়।

আজ শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া বার্তায় আরাগচি বলেন, “পবিত্র রমজান মাস আত্মসংযম এবং ইসলামি বিশ্বের সংহতিকে শক্তিশালী করার মাস। আফগানিস্তান এবং পাকিস্তানের মধ্যে যেসব বিষয় নিয়ে দ্বন্দ্ব-মতপার্থক্য আছে, আলোচনা ও সংলাপের মাধ্যমে সেসব মীমাংসার জন্য খুবই উপযুক্ত এই রমজান মাস।” তিনি আরও বলেন, “পাকিস্তান এবং আফগানিস্তান উভয়ই আমাদের প্রতিবেশী এবং আমরা আশা করছি যে আলোচনা এবং সহযোগিতামূলক বোঝাপড়ার ভিত্তিতে দুই দেশে তাদের নিজেদের পার্থক্যগুলো দূর করবে। ইসলামি প্রজাতন্ত্রী ইরান এক্ষেত্রে মধ্যস্থতা এবং যে কোনো প্রকার সহযোগিতা করতে প্রস্তুত আছে।”

আরাগচি এক্সে তার পোস্টে ইরানি কবি সাদি শিরাজির একটি কবিতার পংক্তিও শেয়ার করেছেন, যেখানে বলা হয়েছে, “আদমের সব সন্তান একে অন্যের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ। কারণ তারা একই সত্ত্বা থেকে সৃষ্ট।”

পাশাপাশি সীমান্ত এলাকায় সংঘটিত সাম্প্রতিক সংঘাতের প্রেক্ষাপটও ক্রমশ ভিন্ন মাত্রা নিয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়ায় ডুরান্ড লাইন এলাকায় পাক সেনা চৌকিগুলোকে লক্ষ্য করে আফগান সেনাবাহিনী হঠাৎ হামলা চালায়। এতে অন্তত ৫৫ জন পাকিস্তানি সেনা নিহত হন এবং আরও কয়েকজনকে ধরে নেওয়া হয়।

তালেবান সরকারের মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ জানিয়েছেন, ২১ ফেব্রুয়ারি আফগানিস্তানের নানগারহার ও পাকতিয়া প্রদেশে পাকিস্তানের বিমানবাহিনী যে অভিযানে অংশ নিয়েছিল, তার প্রতিশোধে এই হামলা চালানো হয়েছে। পাকিস্তানি বিমান অভিযানে নানগারহার ও পাকতিয়ায় ৮০-এর বেশি আফগান নিহত হন।

হামলার কয়েক ঘণ্টা পর রাত ৩টা ৪৫ মিনিটে পাকিস্তান ‘অপারেশন গজব-লিল হক’ নামের প্রতিশোধমূলক অভিযান শুরু করে। পাকিস্তানের বিমান বাহিনী (পিএএফ) কাবুল, পাকতিয়া ও কান্দাহার প্রদেশে ব্যাপক বিমান হামলা চালায়। এ পর্যন্ত হামলায় অন্তত ১৩৩ জন নিহত ও দুই শতাধিক আহত হয়েছে।

পিএএফের বোমাবর্ষণে আফগান সেনাবাহিনীর অনেক স্থাপনা ধ্বংস হয়েছে। শেহবাজ শরিফের মুখপাত্র মোশাররফ জাইদি শুক্রবার ভোর ৪টা ৫০ মিনিটে জানিয়েছেন, ধ্বংসপ্রাপ্ত স্থাপনার মধ্যে রয়েছে দু’টি সেনা হেডকোয়ার্টার, ৩টি ব্রিজ হেডকোয়ার্টার, দু’টি গোলাবারুদের ডিপো, একটি লজিস্টিক ঘাঁটি, ৩টি ব্যাটালিয়ন হেডকোয়ার্টার, ২টি সেক্টর হেডকোয়ার্টার, ৮০টিরও বেশি ট্যাংক এবং বিপুল সংখ্যক আর্টিলারি ও সাঁজোয়া যান।

সূত্র: টিআরটি

ads

এই বিভাগের আরও খবর

এই বিভাগের আরও খবর

ads
ads
manusherkotha

manusherkotha

সর্বশেষ খবর

হাইলাইটস

বিশেষ সংবাদ