আইআরজিসির পক্ষ থেকে প্রকাশিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই পদক্ষেপ ‘অপারেশন ট্রু প্রমিস ৪’-এর অংশ এবং ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে সাম্প্রতিক ইরানি অভিযানের ধারাবাহিকতা। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, “স্থল ও সমুদ্র ক্রমেই সন্ত্রাসী আগ্রাসনকারীদের কবরস্থানে পরিণত হবে। আমরা সামরিক সংঘাতের একটি নতুন পর্যায়ে প্রবেশ করেছি এবং অভিযান আরও জোরদার হবে।”
আইআরজিসি জানিয়েছে, রণতরী চারটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর আগে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির হত্যার প্রতিশোধ নেওয়ার অঙ্গীকার জানিয়ে রোববার (১ মার্চ) পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে বিস্তৃত হামলা চালানো হয়।
তেহরানে শোকাহত জনতার ভিড়ে হঠাৎ বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়, এবং ইসরাইলি সামরিক বাহিনী ঘোষণা করে যে তারা রাজধানীর প্রাণকেন্দ্রে আবারও আক্রমণ চালাচ্ছে।
আইআরজিসি নতুন করে ‘বৃহৎ পরিসরের’ হামলার ঘোষণা দেয়। একই সময়ে রিয়াদ, দুবাই, আবুধাবি, দোহা, মানামা, জেরুজালেম এবং তেল আবিবে বিস্ফোরণের শব্দ ধরা পড়ে। ইসরাইলি জরুরি সেবা সংস্থা জানায়, সর্বশেষ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত ১০ জন নিহত হয়েছেন।
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান খামেনির হত্যাকাণ্ডকে ‘মুসলিমদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা’ হিসেবে অভিহিত করে সতর্ক করেছেন যে, ইরান ঐতিহাসিক অপরাধের পরিকল্পনাকারী ও হোতাদের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নেওয়াকে তার বৈধ কর্তব্য ও অধিকার হিসেবে বিবেচনা করে।