১ মার্চ ২০২৬, ০৭:১১ পি.এম

ই-সিগারেট বাজেয়াপ্ত বা জব্দ না করার নির্দেশ আদালতের

ই-সিগারেট বাজেয়াপ্ত বা জব্দ না করার নির্দেশ আদালতের

দেশে আমদানি করা ভ্যাপ ও ই-সিগারেট জব্দ না করতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইনের একটি ধারা কেন অসাংবিধানিক ও অবৈধ ঘোষণা করা হবে না—সে বিষয়ে রুল জারি করেছেন আদালত।

রোববার (১ মার্চ) বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালত বাণিজ্য সচিব, কাস্টমস কর্তৃপক্ষসহ সংশ্লিষ্টদের এ নির্দেশনা বাস্তবায়নের কথা বলেছেন।

এদিন রিটের পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম এবং ব্যারিস্টার এইচ এম সানজিদ সিদ্দিকী।

আদেশের পর সাংবাদিকদের ব্যারিস্টার এইচ এম সানজিদ সিদ্দিকী জানান, ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০০৫–এর ৬ (গ) ধারায় ইলেকট্রনিক নিকোটিন ডেলিভারি সিস্টেম এবং নতুন ধরনের তামাকজাত পণ্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

আইনের উপধারা (১) অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি ইলেকট্রনিক নিকোটিন ডেলিভারি সিস্টেম ও এর যন্ত্রাংশ—যেমন ই-সিগারেট, ভ্যাপ, ভ্যাপিং ডিভাইস, ভ্যাপার ও ই-লিকুইড—এছাড়া হিটেড টোব্যাকো বা অন্যান্য উদীয়মান তামাকজাত পণ্য উৎপাদন, আমদানি, রপ্তানি, সংরক্ষণ, বিজ্ঞাপন, প্রচার, পৃষ্ঠপোষকতা, বিপণন, বিতরণ, ক্রয়-বিক্রয় বা পরিবহন করতে পারবেন না।

উপধারা (২)-এ বলা হয়েছে, এ বিধান লঙ্ঘন করলে সর্বোচ্চ তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড অথবা সর্বোচ্চ দুই লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড দেওয়া যাবে। একই অপরাধ পুনরাবৃত্তি হলে শাস্তির পরিমাণ দ্বিগুণ হারে বাড়বে।

উল্লেখ্য, মাসদুজ্জামানসহ ৪১ জন ব্যবসায়ী এ ধারা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন। শুনানি শেষে আদালত রুল জারি করার পাশাপাশি দেশে ইতোমধ্যে আমদানি করা ভ্যাপ ও ই-সিগারেট বাজেয়াপ্ত বা জব্দ না করার নির্দেশ দিয়েছেন।