২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৯:৪১ পি.এম

শ্রীলঙ্কা ১৪৮ রান করলেই পাকিস্তানের সেমিফাইনালের স্বপ্ন শেষ

শ্রীলঙ্কা ১৪৮ রান করলেই পাকিস্তানের সেমিফাইনালের স্বপ্ন শেষ

সমীকরণ এখন একেবারেই পরিষ্কার, শ্রীলঙ্কা যদি ১৪৮ রান ছুঁতে পারে, তবে ম্যাচ জিতলেও বিদায় নেবে পাকিস্তান; সমান ৩ পয়েন্ট নিয়ে সেমিফাইনালে জায়গা করে নেবে নিউজিল্যান্ড।

রেকর্ডগড়া সেঞ্চুরি করে দলকে বড় সংগ্রহ এনে দিয়েছেন সাহিবজাদা ফারহান। তার অনবদ্য ইনিংসে পাকিস্তান ৮ উইকেট হারিয়ে তোলে ২১২ রান। তবে শুধু জয়ই যথেষ্ট নয় পাকিস্তানের জন্য। নেট রানরেটে নিউজিল্যান্ডকে পেছনে ফেলতে হলে লঙ্কানদের ১৪৭ রানের মধ্যে গুটিয়ে দিতে হবে। অর্থাৎ শ্রীলঙ্কা ১৪৮ রান করলেই পাকিস্তানের সেমিফাইনালের স্বপ্ন শেষ।

টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা দুর্দান্ত করে পাকিস্তান। ফারহান ও ফখর জামানের উদ্বোধনী জুটিতে আসে ১৭৬ রান, তাও কোনো উইকেট না হারিয়ে। দলীয় রান আরও বড় হতে পারত, কিন্তু শেষ দিকে ধস নামে—৩৪ রানের ব্যবধানে ৮ উইকেট হারায় তারা। ১৭৬/০ থেকে মুহূর্তেই স্কোর দাঁড়ায় ২১০/৮।

পাওয়ার প্লেতে পাকিস্তান তোলে ৬৪ রান। দশম ওভার শেষ হওয়ার এক বল আগে দলীয় শতরান পূর্ণ হয়। এরই মধ্যে ফারহান তুলে নেন হাফ সেঞ্চুরি এবং গড়েন এক বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ রানের নতুন রেকর্ড।

১৪তম ওভারের শেষ বলে দেড়শ স্পর্শ করে পাকিস্তান। ৯৪ বল স্থায়ী হয় এই জুটি। চলতি আসরেই সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে নিউজিল্যান্ডের টিম সেইফার্ট ও ফিন অ্যালেনের ১৭৫ রানের জুটি ভেঙে নতুন রেকর্ড গড়েন ফারহান-ফখর জুটি।

অবশেষে ১৬তম ওভারের পঞ্চম বলে দুষ্মন্ত চামিরা ১৭৬ রানের এই জুটি ভাঙেন। ৪২ বলে ৯টি চার ও ৪টি ছক্কায় ৮৪ রান করে বোল্ড হন ফখর জামান।

১৯তম ওভারের প্রথম বলে ফারহান বিশ্বকাপের এক আসরে দুটি সেঞ্চুরি করার কীর্তি গড়েন—যা তাকে বিশেষ তালিকায় জায়গা এনে দেয়। বিশ্বকাপ ইতিহাসে সর্বোচ্চ তিনটি সেঞ্চুরি রয়েছে বাবর আজমের। যৌথভাবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সেঞ্চুরির মালিক ফারহান ও ক্রিস গেইল।

৫৯ বলে ৯ চার ও ৫ ছক্কায় সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন ফারহান। শেষ ওভারের প্রথম বলে তার ইনিংসের সমাপ্তি ঘটে। ৬০ বলে ৯ চার ও ৫ ছক্কায় ঠিক ১০০ রান করে আউট হন তিনি। জেনিথ লিয়ানাগে তার ক্যাচ নেন, বোলিংয়ে ছিলেন মাদুশাঙ্কা। চলতি আসরে ৬ ইনিংসে ৯৫.৭৫ গড়ে তার সংগ্রহ ৩৮৩ রান।