গবেষণায় দেখা গেছে, রোজা রাখলে LDL (খারাপ) কোলেস্টেরল ও ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা কমে এবং HDL (ভালো) কোলেস্টেরল স্থিতিশীল থাকে। এর ফলে উচ্চ রক্তচাপ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি হ্রাস পায় এবং হৃদযন্ত্র সুস্থ থাকে।
ওজন নিয়ন্ত্রণ ও বিপাক উন্নতি
রোজার সময় শরীর শক্তির উৎস হিসেবে সঞ্চিত চর্বি ব্যবহার করতে শুরু করে, যা অতিরিক্ত ওজন কমাতে সহায়তা করে। একই সঙ্গে শরীরের বিপাকীয় কার্যক্রমও উন্নত হয়। তাই ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে চাইলে রোজার অভ্যাস উপকারী হতে পারে।
ইনসুলিন সংবেদনশীলতা বৃদ্ধি
গবেষণা বলছে, রোজা রক্তে শর্করার হঠাৎ বৃদ্ধি কমায় এবং ইনসুলিনের কার্যকারিতা বাড়ায়। এতে টাইপ–২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণ বা কমাতে সাহায্য করে। বিশেষ করে যারা ডায়াবেটিসের ঝুঁকিতে আছেন, তাদের জন্য এটি উপকারী হতে পারে।
শরীরের বিষমুক্তকরণ ও হজমে উপকার
রোজা রাখলে পাচনতন্ত্র কিছু সময়ের জন্য বিশ্রাম পায়। এই সময় শরীর কোষ মেরামত, বর্জ্য অপসারণ এবং প্রদাহ কমানোর মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলোতে মনোযোগ দিতে পারে। ফলে শরীরের সামগ্রিক সুস্থতা বৃদ্ধি পায়।
মস্তিষ্কের কার্যকারিতা ও মানসিক স্বচ্ছতা
রোজা BDNF (Brain-Derived Neurotrophic Factor) নামক উপাদানের মাত্রা বাড়াতে সহায়তা করে, যা মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা উন্নত করে। এর ফলে মানসিক স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পায় এবং প্রশান্তির অনুভূতি তৈরি হয়।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করা
রোজার সময় শরীরে অটোফ্যাজি বা কোষ পুনর্গঠনের প্রক্রিয়া সক্রিয় হয়, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে। তাই শুধু রমজানেই নয়, সারা বছর নিয়মিত রোজা রাখার অভ্যাস শরীরের জন্য উপকারী হতে পারে।