২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৯:০২ পি.এম

বদলি নিয়ে নিজ এলাকায় যেতে পারবেন চিকিৎসকরা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

বদলি নিয়ে নিজ এলাকায় যেতে পারবেন চিকিৎসকরা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে চিকিৎসকদের নিজ নিজ এলাকায় বদলির সুযোগ দিতে যাচ্ছে সরকার। এতে স্থানীয় মানুষের সামনে দায়িত্ববোধ বাড়বে এবং চিকিৎসাসেবায় গাফিলতি কমবে বলে মনে করছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “আমরা একটা নতুন পলিসি নিচ্ছি, যে যেখানে যেতে চায়, যার বাড়ি যেখানে—যেতে চাইলে ওখানে আমরা দেবো। আমরা দ্রুততম সময়ে এটা শুরু করব। অন্তত চক্ষু লজ্জায় হলেও সে সেবাটা দেবে। তার বাবা-চাচা, আত্মীয়-স্বজন বা শ্বশুরবাড়ি, এলাকার পরিচিত মানুষ, সবার চোখের সামনে সে ফাঁকিটা দেবে না। আর বাইরে তার ব্যস্ততা থাকবে না। আমরা জিজ্ঞাসা করব, তুমি কোথায় যেতে চাও? কোথায় কমফোর্টেবল? ওখানে আমরা দেবো।”

তিনি আরও জানান, চিকিৎসকদের লিয়েন প্রবণতা কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। “আমরা লিয়েন প্রবণতা কমিয়ে আনব। যেগুলো ইতোমধ্যে লিয়েনে চলে গেছে, এগুলো আমরা রিপ্লেস করব অথবা তাদেরকে বাধ্য করব আসতে, যাতে উপস্থিতিটা থাকে।”

চিকিৎসকদের কর্মস্থলে সময়মতো উপস্থিতি নিশ্চিত করতে সব সিভিল সার্জনের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠক করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। বৈঠকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, “সিভিল সার্জনরা অফিসে বসে থাকতে পারবেন না।”

শূন্য পদ পূরণের বিষয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, কেয়ারগিভার, মিডওয়াইফ ও ফ্যামিলি প্ল্যানিং কর্মীদের সমন্বয়ে দেশের কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো কার্যকর করা হবে।

এছাড়া প্রাথমিক পর্যায়ে স্তন ও জরায়ু ক্যানসার শনাক্ত করে আক্রান্ত নারীদের দ্রুত চিকিৎসার আওতায় আনতে পরিবার পরিকল্পনা কর্মীদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এ বিষয়ে তিনি বলেন, “প্রাথমিক চিকিৎসা শুরু করার জন্য যে সহায়তা দরকার, সেটা আমরা সরকার থেকে দেবো।”

সাখাওয়াত হোসেন আরও জানান, দেশের বিভিন্ন স্থানে অব্যবস্থাপনার কারণে বন্ধ হয়ে থাকা হাসপাতালগুলো চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, “অনেক হাসপাতাল অপরিকল্পিতভাবে হয়েছে। ব্যবস্থাপনা নাই, মেশিন নাই, বেড নাই—পড়ে আছে। আমরা এগুলো সমীক্ষা করছি। সীমিত সম্পদের ভেতরে আমরা পর্যায়ক্রমে এগুলো চালু করার জন্য কার্যক্রম গ্রহণ করেছি।”