সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সকাল ৮টায় বুরাক এয়ারের একটি ফ্লাইটে প্রত্যাবাসিতরা ঢাকায় পৌঁছায়। তাদের মধ্যে বেনগাজীর গানফুদা ডিটেনশন সেন্টারে আটক ছিলেন ৩০ জন, আর বাকি ১৪৫ জন ছিলেন বেনগাজী ও আশপাশের এলাকায় বসবাসরত দুস্থ, অসহায় ও শারীরিকভাবে অসুস্থ নাগরিক।
প্রত্যাবাসনের কাজটি সম্পন্ন হয়েছে লিবিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাস, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম)-এর সমন্বয়ে। তারা লিবিয়া সরকারের সহযোগিতায় এই প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করেছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রত্যাবাসিতদের অধিকাংশই ইউরোপে সমুদ্রপথে যাওয়ার জন্য মানবপাচারকারীদের প্ররোচনায় লিবিয়ায় অনিয়মিতভাবে প্রবেশ করেছিলেন। অনেকে লিবিয়ায় বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। বিমানবন্দরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট সংস্থা ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার কর্মকর্তারা তাদের অভ্যর্থনা জানান। এছাড়াও, জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য তারা প্রত্যাবাসিতদের এই অভিজ্ঞতা সমাজের সঙ্গে শেয়ার করার জন্য অনুরোধ করেন।
আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা প্রত্যাবাসিতদের জন্য পথযাত্রার খরচ, কিছু খাদ্যসামগ্রী, প্রাথমিক চিকিৎসা এবং প্রয়োজনে অস্থায়ী বাসস্থানের ব্যবস্থা করেছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, লিবিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাস, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা একত্রে কাজ করে লিবিয়ার বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে আটক বাংলাদেশিদের নিরাপদে দেশে প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করছে।