চারটি নির্দিষ্ট অভিযোগ তুলে অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং তাঁর নেতৃত্বাধীন সরকারের সাবেক উপদেষ্টাদের বিরুদ্ধে মামলা করার ঘোষণা দিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষক। বিষয়টি ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে একাডেমিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক শেখ হাফিজুর রহমান কার্জন সম্প্রতি একটি অনলাইন অনুষ্ঠানে এ ঘোষণা দেন। সেখানে তিনি ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও তাঁর নেতৃত্বাধীন সরকারের বিরুদ্ধে একাধিক আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানান।
অধ্যাপক কার্জন বলেন, “ইউনূস অ্যান্ড গংদের বিচার হওয়া উচিত কয়েকটি কারণে। একটি সংবিধান লঙ্ঘন, আরেকটি রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্ব বিপন্ন করায় এবং ড. ইউনূস ইউএসের সঙ্গে যেসব চুক্তি করেছে সেসব চ্যালেঞ্জ করে আরেকটি মামলা করা যেতে পারে।”
তিনি আরও বলেন, “আরেকটি মামলা আমি করব, সেটা হলো জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৩২ নম্বরের বাড়ি ভাঙচুর নিয়ে। সেখানে যে দুষ্প্রাপ্য ডকুমেন্ট ছিল, যেসমস্ত অ্যাভিডেন্স ছিল, সেটা দেশি বিদেশি কার ইন্ধনে বারবার ভাঙা হলো এবং অন্তর্বর্তী সরকারের কারা ভেতর থেকে এটা হতে দিলেন। সেখানে পুলিশ সেনাবাহিনী কেন গেল না। সেটা নিয়ে একটা মামলা করব।”
এ ছাড়া গত দেড় বছরে অধ্যাদেশ জারির সংখ্যা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন এই শিক্ষক। তাঁর বক্তব্য, “গত ১৮ মাসে ১৩৩টি অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছে, যা অস্বাভাবিক বিষয়।” তিনি এ প্রসঙ্গে বিবিসির একটি প্রতিবেদনের উল্লেখ করে বলেন, “১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে ১৩২টি অধ্যাদেশই অনিশ্চয়তার মধ্যে।”
অধ্যাপক কার্জনের এ ঘোষণাকে ঘিরে সংশ্লিষ্ট মহলে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। তবে ঘোষিত মামলাগুলো কবে এবং কীভাবে দায়ের করা হবে, সে বিষয়ে এখনো বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।