২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৯:৫৯ এ.এম

লক্ষ্মীপুর আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে ৬ পদে বিএনপি, ৮ পদে আ.লীগ; জামায়াতের ভরাডুবি

লক্ষ্মীপুর আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে ৬ পদে বিএনপি, ৮ পদে আ.লীগ; জামায়াতের ভরাডুবি

লক্ষ্মীপুর জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে চমকপ্রদ ফলাফল; সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ পদে জয় পেয়েছে বিএনপি, আর অংশ না নেওয়ার ঘোষণা দিয়েও আটটি পদে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীরা। তবে জামায়াতপন্থী কোনো প্রার্থীই জয় পাননি।

মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত প্রায় ৩টার দিকে ফলাফল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার সিনিয়র আইনজীবী এ কে এম হুমায়ুন কবির।

মোট ১৫টি পদের মধ্যে বিএনপি পেয়েছে ৬টি, আওয়ামী লীগ ৮টি এবং একটি পদে নির্বাচিত হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী।

নির্বাচনে বিজয়ীরা হলেন—সভাপতি মনিরুল ইসলাম হাওলাদার (বিএনপি), সহ-সভাপতি আবদুল মজিদ চৌধুরী (বিএনপি), আবুল খায়ের (আওয়ামী লীগ), মো. রফিক উল্যা (বিএনপি), সহসম্পাদক ফখরুল ইসলাম জুয়েল (বিএনপি), চাঁদমনি মোহন (আওয়ামী লীগ), পাঠাগার সম্পাদক মোশারফ হোসাইন (বিএনপি), সাংস্কৃতিক সম্পাদক জামাল উদ্দিন (আওয়ামী লীগ), অডিট সম্পাদক রাকিবুল হাসান অপু (আওয়ামী লীগ), সদস্য আজহার উদ্দিন রকি (আওয়ামী লীগ), নুরুল হুদা মুরাদ (স্বতন্ত্র), ইউসুফ (আওয়ামী লীগ), মো. ইউসুফ মানিক (আওয়ামী লীগ), আবদুল্লাহ আল নোমান (আওয়ামী লীগ) এবং জাফর আহমেদ (বিএনপি)।

এর আগে ২৬ জানুয়ারি এক নোটিশে বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের লক্ষ্মীপুর জেলা কমিটির সদস্য সচিব নুরুল হুদা পাটওয়ারী জানান, আহ্বায়ক কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২০২৬-২৭ সেশনের নির্বাচনে তাঁদের সংগঠন কোনো পদে অংশ নেবে না। তবে বাস্তবে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদ ছাড়া অন্যান্য পদে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

এ বিষয়ে নুরুল হুদা পাটওয়ারীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আওয়ামী লীগ সমর্থিত লক্ষ্মীপুর আইনজীবী সমিতির সাবেক এক সভাপতি বলেন, রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় তাঁরা মূলত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী দেননি। তাঁর ভাষ্য, সংগঠনের সিদ্ধান্ত ছিল নির্বাচন না করার। তারপরও অন্যান্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে আওয়ামী লীগের আটজন প্রার্থী জয়ী হয়েছেন।

ফলাফল ঘোষণা প্রসঙ্গে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ কে এম হুমায়ুন কবির বলেন, ভোট গণনা শেষে বিজয়ীদের নাম প্রকাশ করা হয়েছে। তারাবির নামাজের বিরতির কারণে ফল ঘোষণা করতে কিছুটা দেরি হয়েছে।