বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী আগামীতে মানুষের চাহিদার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে গঠিত হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শামসুল ইসলাম। তিনি মনে করেন, গত ১৭ বছরে ফ্যাসিস্ট সরকারের শাসনামলে যেভাবে বাহিনী ধ্বংসপ্রবণ ছিল, তা থেকে উত্তরণ ঘটিয়ে একটি শক্তিশালী ও জনমুখী বাহিনী গড়ে তোলা অত্যাবশ্যক।
সোমবার দুপুরে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় পরিদর্শনে গিয়ে তিনি সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান।
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ে আসার সময় উপদেষ্টাকে স্বাগত জানান প্রতিরক্ষাসচিব মো. আশরাফ উদ্দিন। এরপর তিনি মন্ত্রণালয়ের কর্মকাণ্ড, অর্জিত সাফল্য ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে বিস্তারিত অবহিত করেন। এসময় মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরাও উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠক শেষে শামসুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, “আমাদের ভবিষ্যৎ সশস্ত্র বাহিনী হবে জনমুখী বাহিনী। সাধারণ মানুষের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা রেখেই এই বাহিনীর হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনতে কাজ করছি। এর জন্য যা যা করা দরকার, প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ইতিমধ্যে বাহিনীপ্রধানদেরকে নির্দেশনা দিয়েছেন। সবাই সম্মিলিতভাবে কাজ শুরু করেছে। শিগগিরই পরিবর্তন দেখতে পারবেন।”
মানুষের চাহিদার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে বাহিনী গঠনের বিষয়েও তিনি বলেন, “গত ১৭ বছরে ফ্যাসিস্ট সরকার যেভাবে বিভিন্ন বাহিনীকে ধ্বংস করেছে, সেখান থেকে উত্তরণ ঘটিয়ে মানুষের চাহিদার যে রকম বাহিনী হওয়া উচিত, সে রকম বাহিনী গড়ে তোলা হবে। যে বাহিনী সত্যিকার অর্থে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় অতন্দ্র প্রহরী হিসেবে কাজ করবে। ইতিপূর্বেও কাজ করেছে এবং ভবিষ্যতেও যেন সে রকম একটি সশস্ত্র বাহিনী আমরা গড়ে তুলতে পারি। ইতিমধ্যে প্রতিরক্ষা মন্ত্রী সেই দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। সেই অনুযায়ী কাজ করছি।”