বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত এ বিদ্যালয়ে বর্তমানে প্রায় ১১০ জন শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে। প্রধান শিক্ষকসহ মোট ছয়জন শিক্ষক কর্মরত থাকলেও ব্যবহারযোগ্য কক্ষ মাত্র তিনটি। এর মধ্যে একটি শিক্ষকরা ব্যবহার করছেন। বাকি দুই কক্ষে একাধিক শ্রেণির ক্লাস নিতে হয়, আর সময়মতো কক্ষ না থাকায় অনেক সময় বারান্দা বা বিদ্যালয় মাঠে পাঠদান করতে হয়।
উপজেলা শিক্ষা অফিস জানায়, এলজিইডির অর্থায়নে ও প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের বাস্তবায়নে ২০২৩ সালের আগস্টে বিদ্যালয়ের নতুন ভবন নির্মাণের কাজ শুরু হয়। প্রায় ৭১ লাখ টাকার এই প্রকল্পটি ২০২৫ সালের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও এখনও কিছু কাজ বাকি রয়েছে। তিনতলা ভিত্তির প্রথম ধাপের কাজ পায় তারাকান্দির ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স মালেকা এন্টারপ্রাইজ।
বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা জানায়, কক্ষের অভাবে কখনও মাঠে বা বারান্দায় বসে ক্লাস নিতে হয়। রোদ ও গরমে কষ্ট হয়, আবার কখনও একাধিক শ্রেণি মিলিয়ে গাদাগাদি করে বসতে হয়, যা পড়াশোনায় ব্যাঘাত সৃষ্টি করে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা আকলিমা খাতুন বলেন, “নতুন ভবনের জন্য পুরোনো কক্ষ ভেঙে দেওয়ায় সমস্যা তৈরি হয়েছে। দ্রুত নির্মাণকাজ শেষ হলে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা স্বস্তি পাবেন।”
ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স মালেকা এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী লিটন হোসেন জানান, “ভবন নির্মাণের কাজ প্রায় শেষের দিকে। মাঝে কিছুদিন কাজ বন্ধ ছিল, তবে দ্রুত কাজ শেষ করে ভবন হস্তান্তরের চেষ্টা চলছে।”
উপজেলা এলজিইডি কর্মকর্তা গোলাম কিবরিয়া তমাল বলেন, “ঠিকাদারকে দ্রুত কাজ শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং বিষয়টি আমাদের নজরদারিতে রয়েছে।”