ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সমাপ্তির পর দেশজুড়ে এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে দাঁড়িয়েছে সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন। ইতোমধ্যে জনগণের ভোটে নির্বাচিত এমপি ও মন্ত্রীরা শপথ গ্রহণ করেছেন। এরই মধ্যে রাজনৈতিক দলগুলো সংরক্ষিত নারী আসনে প্রার্থী বাছাই ও মনোনয়ন প্রক্রিয়া শুরু করেছে।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, সংরক্ষিত ৫০টি নারী আসনের অধিকাংশ আসন বিএনপির হাতে যাবে।
তবে এই আসনে কাদের মনোনয়ন দেওয়া হবে তা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেননি বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সোমবার সকালে নয়াপল্টনের বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “এটা সংসদে সিদ্ধান্ত হবে। প্রার্থী মনোনয়নে ক্ষেত্রে তাদের জনগণ এবং দলের সঙ্গে সম্পৃক্ততা থাকতে হবে। আমাদের দলের পক্ষ থেকে যারা দলের সঙ্গে আছেন তাদের প্রাধান্য দেওয়া হবে।”
স্থানীয় সরকার নির্বাচনের বিষয়ে তিনি আরও বলেন, “সরকারের কিছু নিয়মকানুন আছে। কতগুলো মেয়াদ আছে, কতগুলো মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। সবগুলোকে একজায়গায় নিয়ে এসে সঠিক সময়ে নির্বাচন দিব। এই নির্বাচনকে প্রাধান্য দেওয়া হবে।”
সংরক্ষিত নারী আসন নিয়ে পুনরায় মির্জা ফখরুল বলেন, “এটা সংসদে সিদ্ধান্ত হবে। প্রার্থী মনোনয়নে ক্ষেত্রে তাদের জনগণ এবং দলের সঙ্গে সম্পৃক্ততা থাকতে হবে। আমাদের দলের পক্ষ থেকে যারা দলের সঙ্গে আছেন তাদের প্রাধান্য দেওয়া হবে।”
আওয়ামী লীগের বিভিন্ন এলাকায় অফিস খোলার বিষয়ে তিনি মন্তব্য করেন, “এটা আমরা চাইনি। যেহেতু আইনগতভাবে বলা আছে তাদের কার্যক্রম নিষিদ্ধ, সেভাবেই এদেরকে দেখা হবে।”