২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৪:৩৮ পি.এম

কার্যালয়ের পুরোনো কর্মচারীদের ডেকে কুশল বিনিময় করলেন প্রধানমন্ত্রী

কার্যালয়ের পুরোনো কর্মচারীদের ডেকে কুশল বিনিময় করলেন প্রধানমন্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী হয়ে সরকার গঠনের পর প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবারের মতো রাজধানীর তেজগাঁও কার্যালয়ে দায়িত্ব পালন শুরু করেছেন বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের প্রধান তারেক রহমান। প্রথম দিনেই পুরোনো কর্মচারীদের সঙ্গে দেখা করে খোঁজখবর নেওয়ায় আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টা ১০ মিনিটে তেজগাঁও কার্যালয়ে পৌঁছালে তাকে স্বাগত জানান প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আবদুস সাত্তার এবং অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।

কার্যালয়ে প্রবেশের আগে প্রধানমন্ত্রী বাগানে একটি গাছের চারা রোপণ করেন। এরপর ভেতরে ঢোকার সময় সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে থাকা কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তাকে শুভেচ্ছা ও সালাম জানান।

অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, ‘১৯ বছরে আগে যখন খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, সেই সময়কার কর্মচারীদের কয়েকজনকে দেখে প্রধানমন্ত্রী নাম ধরে ডাকেন এবং তাদের সঙ্গে কথা বলেন। তাদের পরিবারের খোঁজ-খবর নেন। এটা একটা স্মরণীয় ঘটনা।’

তিনি আরও বলেন, দূর থেকে কর্মচারীদের সারিতে দাঁড়িয়ে থাকা একজনকে নাম ধরে ডাকলে তিনি নিরাপত্তা বেষ্টনী অতিক্রম করে দ্রুত প্রধানমন্ত্রীর কাছে আসেন। এ সময় করমর্দনের পাশাপাশি তার পরিবারের খোঁজ নেন প্রধানমন্ত্রী। একইভাবে আরও কয়েকজন কর্মচারীকেও নাম ধরে ডেকে কথা বলেন তিনি।

অতিরিক্ত প্রেস সচিবের ভাষ্য, ‘খালেদা জিয়ার সময়ে কাজ করেছেন এমন কিছু কর্মচারী যারা ১৯ বছর আগে নবীন ছিলেন এখন তাদের চুলে পাক ধরেছে, কিন্তু প্রধানমন্ত্রী তাদের চিনতে ভুল করেননি। নিজেই নাম ধরে তাদের ডেকে কথা বলেছেন।’

এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট কর্মচারীরা যেমন আবেগাপ্লুত হয়েছেন, তেমনি প্রধানমন্ত্রীর আচরণে অন্য কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও বিস্মিত হয়েছেন বলে জানান তিনি।

পরে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের ‘রেড ব্লক’-এ প্রবেশ করে নিজের দপ্তরে বসেন। দিনের কর্মসূচি অনুযায়ী মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে একটি স্মারক ডাকটিকিট উন্মোচন করেন তিনি। এরপর মন্ত্রিসভার বৈঠকে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী।

উল্লেখ্য, ২০০১ সালের নির্বাচনে বিজয়ের পর সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াও এই তেজগাঁও কার্যালয় থেকেই দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনা করেছিলেন।