শনিবার দিবাগত রাত ১২টা ১ মিনিটে প্রথম প্রহরেই শ্রদ্ধা নিবেদন শুরু হয় এবং তা সাহরির আগ পর্যন্ত চলতে থাকে। সাহরি শেষে সকাল সাড়ে ছয়টা থেকে প্রভাতফেরির মাধ্যমে আবারও সর্বস্তরের মানুষ শহীদ মিনারে এসে শ্রদ্ধা জানান।
প্রভাতফেরিতে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সরকারি-বেসরকারি দপ্তর এবং সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের সদস্যরা অংশ নেন।
শ্রদ্ধা জানানো প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়, বুয়েট শিক্ষক সমিতি, জাতীয়তাবাদী তাঁতীদল কেন্দ্রীয় কমিটি, বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র, বিএনপি ঢাকা মহানগর দক্ষিণ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সলিমুল্লাহ মুসলিম হল, জগন্নাথ হল, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদল, বাসদ (মার্ক্সবাদী) এবং সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টসহ বিভিন্ন সংগঠন।
এ সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিয়াজ আহমেদ খান, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুস সালাম, জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম, সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেন ও সংসদ সদস্য হাবিবুর রশিদসহ বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিরা শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন উপলক্ষে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।