শিক্ষা খাতে হুটহাট সিদ্ধান্ত নয়, আলোচনা ও পরামর্শ করে সিদ্ধান্ত হবে: ববি
শিক্ষক বেতন কাঠামোসহ শিক্ষা খাতের যে কোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে হঠাৎ করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে চলমান বিষয় একরাতে পরিবর্তন করা উচিত নয় এবং সব পদক্ষেপ হবে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা ও পরামর্শের ভিত্তিতে।
শুক্রবার (২০ জুলাই) দুপুরে মোহাম্মদপুর রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ সংলগ্ন আওরঙ্গজেব রোডের ‘নানক চত্বর’-এর নাম পরিবর্তন করে ‘শহীদ ফারহান ফাইয়াজ সরণি’ নামকরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ববি হাজ্জাজ বলেন, “৫৪ বছরে চেঞ্জ হয়নি। একরাতে হুটহাট কিছু করলে খারাপই হবে। দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র দুই দিন হয়েছে, তাই তড়িঘড়ি কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে না। সব সিদ্ধান্তই আলোচনা ও কনসালটেশনের মাধ্যমে গ্রহণ করা হবে।”
শিক্ষার্থীদের ভর্তি ফি ফেরত দেওয়ার সম্ভাবনা সম্পর্কিত প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী জানান, “রেট্রোঅ্যাকটিভ কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে আলোচনা ও সম্মতি প্রয়োজন। এ বিষয়ে সবাইকে নিয়ে এক টেবিলে বসেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে।”
তিনি আরও জানান, ইতিমধ্যেই যে সিদ্ধান্ত বাতিল করা হয়েছে, তা আগামী অর্থবছর থেকে কার্যকর হবে এবং সে প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেছে। তবে আগের সিদ্ধান্তগুলোর পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়ার আগে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে।
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকদের বেতন গ্রেডের পার্থক্য নিরসন প্রসঙ্গে ববি হাজ্জাজ বলেন, “এ বিষয়ে শিক্ষকদের সঙ্গে আমার ও শিক্ষামন্ত্রীর বৈঠক হয়েছে। সেখানে শিক্ষকরা তাদের দাবি ও উদ্বেগ তুলে ধরেছেন। আগামী সপ্তাহে আরও বৃহত্তর পরিসরে বৈঠক করার পরিকল্পনা রয়েছে।”
তিনি আরও মন্তব্য করেন, “আলোচনার মাধ্যমে একটি দীর্ঘমেয়াদি ও বাস্তবসম্মত নীতিগত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে চায় সরকার। শিক্ষকদের কাজ অন্যান্য সরকারি কর্মচারীদের তুলনায় ভিন্ন। দেশের ভবিষ্যৎ গঠনে শিক্ষকদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ, তাই তাদের অবদানের যথাযথ মূল্যায়ন প্রয়োজন।”