প্রেস সচিব বলেন, “আজ ক্যাবিনেট অবজার্ভ করেছে যে, নির্বাচনের মাধ্যমে পুলিশ তার আত্মমর্যাদা ফিরে পেয়েছে। জুলাই-আগস্ট ২০২৪-এ পুলিশ কিভাবে তাদের দায়িত্ব পালন করবে তা নিয়ে অনেকে বলেছিলেন যে, পুলিশের কনফিডেন্স কম। তখন কেউ কেউ ভাবতেন, পুলিশের মাধ্যমে কি আদৌ ভালো নির্বাচন সম্ভব হবে? কিন্তু আপনারা দেখেছেন, তারা যথেষ্ট ভালো রোল প্লে করেছে।”
শফিকুল আলম আরও জানান, “প্রথমবারের মতো বড় আকারে বডি ওর্ন ক্যামেরা ব্যবহার করা হয়েছে। প্রধান উপদেষ্টা নিজে পুলিশ হেডকোয়ার্টারে বসে দেড় ঘণ্টা পর্যন্ত নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করেছেন। তিনি সরাসরি ১৭টি কেন্দ্রে কথা বলেছেন। ক্যাবিনেট আশা করছে, ভবিষ্যতের নির্বাচনে বিস্তৃত ডেপ্লয়মেন্টের মাধ্যমে এর ফল আরও ভালো হবে। এছাড়া সুরক্ষা অ্যাপ এবং সিসিটিভি অত্যন্ত সহায়ক ভূমিকা রেখেছে, যা নির্বাচন পরিচালনায় সমন্বয় ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে।”
তিনি বলেন, “নির্বাচনের পর চারজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এর মধ্যে একজনই সত্যিকারের নির্বাচনী সহিংসতায় নিহত হয়েছেন। আর হাতিয়ার সংক্রান্ত মেয়েটির ঘটনার বিষয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তারা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বিষয়টি দেখবেন ও তদন্ত করবেন।”
সংবাদ সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টার সিনিয়র সহকারী প্রেস সচিব ফয়েজ আহমেদ ও সহকারী প্রেস সচিব সুচিস্মিতা তিথি সহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।