উপদেষ্টা বলেন, “সংসদ সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠানে কোনো উপদেষ্টা উপস্থিত থাকবেন না। তবে মন্ত্রীদের শপথের সময় উপদেষ্টারা উপস্থিত থাকবেন। নতুন সরকারের শপথের আগ পর্যন্ত উপদেষ্টারা সরকারি দায়িত্ব পালন করবেন। নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে সরকারের পক্ষ থেকে শুধু সার্কভুক্ত দেশগুলোর প্রতিনিধিদের দাওয়াত দেওয়া হয়েছে।”
তিনি আরও জানান, নির্বাচিত রাজনৈতিক দলের চাওয়াতেই শপথ অনুষ্ঠান বঙ্গভবনের বদলে সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজন করা হচ্ছে।
নতুন মন্ত্রীরা দায়িত্ব নেওয়ার আগে তাদের জন্য শুভকামনা জানিয়ে সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, “তারা আমাদের কাছে কোনো সহযোগিতা চাইলে আমরা করতে প্রস্তুত আছি। দুর্যোগময় মুহূর্তে আমাদেরকে দেশের দায়িত্ব নিতে বলা হয়েছিল। আমরা দায়িত্ব নিয়ে যথাযথভাবে কাজ করার চেষ্টা করেছি। আশা করি মানুষ আমাদের কাজের মূল্যায়ন করবে।”
এ সময় তিনি আরও বলেন, “আজকে কেবিনেট বৈঠকে নির্বাচন নিয়ে বিদেশি বন্ধু ও সাধারণ মানুষের প্রতিক্রিয়া নিয়ে আলোচনা হয়েছে। নির্বাচনের পর এক নারীর ওপর অন্যায় হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে তার সঙ্গে অনলাইনে সরাসরি কথা হয়েছে এবং তাকে সর্বোচ্চ ন্যায়বিচারের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।”
উপদেষ্টা বলেন, “প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যবের সংস্কার কাজ অনেকের পছন্দ হয়নি। তাই একটি গ্রুপ পালানোর কথা ছড়াচ্ছে।”