১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৭:২১ পি.এম

চুরির অপবাদ দিয়ে যুবদল কর্মীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

চুরির অপবাদ দিয়ে যুবদল কর্মীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

চাঁদপুরের কচুয়ায় পোল্ট্রি খামারের মোটর চুরির অভিযোগ তুলে এক যুবদল কর্মীকে মারধরের পর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। নিহতের নাম শাকির হোসেন (৪০)। উপজেলার দোয়াটি গ্রামের বিকাশ চন্দ্র সরকারের পোল্ট্রি খামারের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী রোজিনা আক্তার শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে কচুয়া থানায় একটি লিখিত এজাহার দায়ের করেন।

শাকির হোসেন উপজেলার ৪ নম্বর পালাখাল মডেল ইউনিয়নের দোয়াটি গ্রামের মৃত আব্দুস সালামের ছেলে।

দায়ের করা এজাহারে বিকাশ চন্দ্র সরকার ও সোহরাব মিয়াসহ ১০ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ১২ থেকে ১৪ জনকে আসামি করা হয়েছে।

নিহতের মা সাহেরা বেগম ও মেয়ে তামান্না আক্তার জানান, শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে শাকির দোয়াটি গ্রামে দলীয় একটি কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন। রাত সাড়ে ৮টার দিকে তিনি বাড়ি ফিরছেন বলে স্ত্রীর সঙ্গে শেষবারের মতো কথা বলেন। পরে রাত সাড়ে ১০টার দিকে এক প্রতিবেশী যুবকের ফোনে জানতে পারেন, শাকিরকে মারধর করা হয়েছে। ঘটনাস্থলে গিয়ে তারা জানতে পারেন, পুলিশের সহায়তায় তাকে কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়েছে।

নিহতের স্ত্রী রোজিনা আক্তার অভিযোগ করেন, তার স্বামী মাছের প্রজেক্টে মাছ দেখতে গিয়েছিলেন। ফেরার পথে বিকাশ চন্দ্র সরকার পূর্বপরিকল্পিতভাবে মোটর চুরির অভিযোগ এনে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে তাকে মারধর করে গুরুতর আহত করেন, যার ফলে তার মৃত্যু হয়। তিনি বলেন, তার স্বামী মোটর চুরি করেননি এবং এ হত্যাকাণ্ডের জন্য বিকাশ চন্দ্র সরকার দায়ী। তিনি স্বামীর হত্যার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন।

কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ বোরহান উদ্দিন জানান, নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চাঁদপুর মর্গে পাঠানো হয়েছে। তিনি আরও বলেন, নিহতের স্ত্রীর লিখিত এজাহার গ্রহণ করা হয়েছে এবং তদন্ত শেষে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।