৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৮:১৬ পি.এম

রিজার্ভ আরও বাড়লো, ছাড়ালো ৩৪ বিলিয়ন ডলার

রিজার্ভ আরও বাড়লো, ছাড়ালো ৩৪ বিলিয়ন ডলার

দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে ইতিবাচক ধারা লক্ষ করা যাচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশের গ্রস বা মোট রিজার্ভের পরিমাণ বর্তমানে ৩৪ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক স্পর্শ করেছে।

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দিন শেষে রিজার্ভের এই পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩৪ দশমিক ০৬ বিলিয়ন ডলারে।

তবে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) নির্দেশিত বিপিএম-৬ পদ্ধতি অনুসরণ করে হিসাব করলে বর্তমানে প্রকৃত রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ২৯ দশমিক ৪৮ বিলিয়ন ডলারে। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান রিজার্ভ বৃদ্ধির এই তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে গত ২ ফেব্রুয়ারি দেশের মোট রিজার্ভ ছিল ৩৩ দশমিক ২৫ বিলিয়ন ডলার, যার মধ্যে বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে হিসাবকৃত পরিমাণ ছিল ২৮ দশমিক ৭৫ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে রিজার্ভে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি ঘটেছে। এরও আগে গত ১৫ জানুয়ারি রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩২ দশমিক ৩২ বিলিয়ন ডলার এবং ৮ জানুয়ারি ছিল ৩২ দশমিক ৪৪ বিলিয়ন ডলার। মাঝে এশীয় ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) ১ দশমিক ৫৩ বিলিয়ন ডলারের দায় পরিশোধের ফলে রিজার্ভ সাময়িকভাবে কিছুটা হ্রাস পেয়েছিল।

সংশ্লিষ্টদের মতে, প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয়ের উচ্চ প্রবাহ এবং রপ্তানি আয়ের স্থিতিশীলতা রিজার্ভের এই ধারাবাহিক উত্থানে প্রধান ভূমিকা রাখছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম সাত দিনেই প্রবাসীরা প্রায় ৭৯ কোটি ৩০ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। এছাড়া ডলারের বাজার স্থিতিশীল রাখতে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো থেকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডলার ক্রয়ের সিদ্ধান্তও রিজার্ভ শক্তিশালী করতে সহায়তা করছে।