৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১০:৫১ এ.এম

সাবেক ফার্স্ট লেডিকে বানরের সঙ্গে তুলনা, ক্ষমা চাইবেন না ট্রাম্প

সাবেক ফার্স্ট লেডিকে বানরের সঙ্গে তুলনা, ক্ষমা চাইবেন না ট্রাম্প

ওবামা দম্পতিকে অবমাননাকরভাবে উপস্থাপন করা একটি ভিডিও ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ব্যাপক সমালোচনার মুখে ভিডিওটি সরিয়ে নিলেও এ বিষয়ে ক্ষমা চাইতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

মার্কিন সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও সাবেক ফার্স্ট লেডি মিশেল ওবামাকে বানরের সঙ্গে তুলনা করে ট্রাম্পের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে একটি ভিডিও প্রকাশ করা হয়। সমালোচনা তীব্র হলে হোয়াইট হাউস ভিডিওটি সরিয়ে নেয়। তবে ট্রাম্প স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, তিনি এ ঘটনায় ক্ষমা চাইবেন না। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সিএনএনের অনলাইন প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

সিএনএন জানায়, ভিডিওটি গত বৃহস্পতিবার প্রকাশের পর অনলাইনে অন্তত ১২ ঘণ্টা ছিল। ট্রাম্প দাবি করেন, “ভিডিওটি আমাদের নজরে আসার সঙ্গে সঙ্গেই আমরা সেটি সরিয়ে ফেলেছি।” একই সঙ্গে ভিডিওটির শুরুর অংশের প্রশংসা করে তিনি বলেন, “আমি ভিডিওটির শুরুর অংশ দেখেছি। এটা চমৎকার ছিল।”

সিএনএনের তথ্যমতে, ভিডিওটির প্রথম অংশে ২০২০ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগের প্রসঙ্গ তোলা হয়।

বিবিসি জানিয়েছে, ভিডিওটি সরানোর আগে হোয়াইট হাউস এর পক্ষে অবস্থান নেয়। ভিডিও প্রকাশের পর ট্রাম্পের নিজ দল রিপাবলিকান পার্টির একাধিক সদস্যও প্রকাশ্যে এর সমালোচনা করেন।

সমালোচকদের অভিযোগ, ভিডিওটিতে আফ্রিকান বংশোদ্ভূত মানুষের মানবিক মর্যাদা ক্ষুণ্ন করা হয়েছে। এ বিষয়ে হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা বলেন, ভুলবশত হোয়াইট হাউসের একজন কর্মী ভিডিওটি পোস্ট করেছিলেন এবং পরে তা সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

প্রকাশিত ভিডিওতে মিথ্যা দাবি করা হয় যে, জালিয়াতির কারণে ট্রাম্প ২০২০ সালের নির্বাচনে পরাজিত হন। ভিডিওটির শেষাংশে একটি ছোট বানরের নাচের ক্লিপ দেখানো হয়, যেখানে বারাক ওবামার মুখ বসানো ছিল।