জাপানের আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচিকে পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছেন। ট্রাম্প জানিয়েছেন, আগামী মাসে হোয়াইট হাউজে তাকাইচিকে আমন্ত্রণ জানাতে তিনি মুখিয়ে আছেন।
ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে দেওয়া পোস্টে ট্রাম্প লিখেছেন, “প্রধানমন্ত্রী তাকাইচি ও তার জোট যে কাজ করছে, তার জন্য তিনি শক্তিশালী স্বীকৃতি পাওয়ার যোগ্য। তাকে পূর্ণ ও সর্বাত্মক সমর্থন দেওয়া আমার জন্য সম্মানের বিষয়।”
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ট্রাম্প আগের মার্কিন প্রেসিডেন্টদের তুলনায় বিদেশি নির্বাচনে প্রভাব বিস্তারে বেশি আগ্রহী। জাতীয়তাবাদী ও প্রতিরক্ষা খাতে কঠোর অবস্থান নেওয়া তাকাইচিকে সমর্থন করা তার ডানপন্থী বিদেশি নেতাদের পাশে দাঁড়ানোর ধারারই অংশ।
তবে জাপানের সরকারি মুখপাত্র কেই সাতো ট্রাম্পের মন্তব্য নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। তিনি নিশ্চিত করেছেন, ট্রাম্প ১৯ মার্চ তাকাইচিকে ওয়াশিংটনে সফরের আমন্ত্রণ দিয়েছেন। সাতো বলেন, “দ্রুত পরিবর্তনশীল আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির মধ্যে এই সফর জাপান–যুক্তরাষ্ট্র জোটের অটুট বন্ধন পুনর্ব্যক্ত করার সুযোগ দেবে।”
জাপানের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি ব্রিটেনের সাবেক প্রধানমন্ত্রী মার্গারেট থ্যাচারের আদর্শে অনুপ্রাণিত রক্ষণশীল নেতা হিসেবে পরিচিত। জনমত জরিপে দেখা যাচ্ছে, তার নেতৃত্বাধীন জোট বড় ধরনের জয় পেতে যাচ্ছে। তিনি এমন ব্যয় পরিকল্পনার জন্য জনসমর্থন চাইছেন যা বিনিয়োগকারীদের উদ্বিগ্ন করেছে, পাশাপাশি প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় বাড়ানোর উদ্যোগ নিচ্ছেন, যা চীনের সঙ্গে সম্পর্ক আরও টানাপোড়েনের দিকে ঠেলে দিতে পারে।