পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম দ্য ডন–এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুক্রবার ইসলামাবাদের তারালাই এলাকায় একটি ইমামবাড়ায় এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। বিস্ফোরণের খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ ও উদ্ধারকারী সংস্থার এক হাজারের বেশি সদস্য ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার ও তল্লাশি কার্যক্রম শুরু করে।
ইসলামাবাদ ক্যাপিটাল টেরিটরি পুলিশের মুখপাত্র তকি জাওয়াদ জানান, বিস্ফোরণের ধরন এখনো নিশ্চিত করা যায়নি। এটি আত্মঘাতী হামলা নাকি আগে থেকে পুঁতে রাখা বোমার বিস্ফোরণ—সে বিষয়ে নিশ্চিত হতে ফরেনসিক দল তদন্ত করছে।
বিস্ফোরণের পরপরই রাজধানীর একাধিক হাসপাতালে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে। এর মধ্যে ইসলামাবাদ পলিক্লিনিক হাসপাতাল, পাকিস্তান ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল সায়েন্সেস (পিআইএমএস) এবং সিডিএ হাসপাতাল উল্লেখযোগ্য।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দ্য ডন–কে জানিয়েছে, পিআইএমএস-এর নির্বাহী পরিচালকের (ইডি) নির্দেশে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রধান জরুরি বিভাগ, অর্থোপেডিক বিভাগ, বার্ন সেন্টার এবং নিউরোলজি বিভাগ সম্পূর্ণভাবে সক্রিয় করা হয়েছে। আহতদের দ্রুত পিআইএমএস ও পলিক্লিনিক হাসপাতালে স্থানান্তর করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, এর আগে ২০২৫ সালের ১১ নভেম্বর ইসলামাবাদের জি-১১ এলাকায় একটি জেলা ও দায়রা আদালত ভবনের বাইরে আত্মঘাতী বিস্ফোরণে ১২ জন নিহত এবং ৩০ জনের বেশি মানুষ আহত হন। তার তিন মাসেরও কম সময়ের মধ্যে রাজধানীতে আবারও এমন প্রাণঘাতী হামলার ঘটনায় নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
সূত্র: দ্য ডন