৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৬:২০ পি.এম

নেপালকে হারিয়ে ফাইনালে ভারতের মুখোমুখি বাংলাদেশ

নেপালকে হারিয়ে ফাইনালে ভারতের মুখোমুখি বাংলাদেশ

সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের ফাইনাল নিশ্চিত হওয়াটা ছিল সময়ের অপেক্ষা মাত্র। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে স্বাগতিক নেপালের বিপক্ষে ৮ গোলের কম ব্যবধানে হারলেও ফাইনালে ওঠার সুযোগ ছিল লাল-সবুজের মেয়েদের। তবে হার তো দূরের কথা—পিটার বাটলারের শিষ্যরা নেপালকে ৪-০ গোলে উড়িয়ে দিয়ে অপরাজিত থেকেই শিরোপার মঞ্চে জায়গা করে নিয়েছে।

এই টুর্নামেন্টে অংশ নিয়েছে স্বাগতিক নেপাল, বাংলাদেশ, ভারত ও ভুটান। চার দলই একে অপরের সঙ্গে একবার করে মুখোমুখি হয়েছে। তিন ম্যাচ শেষে বাংলাদেশ পূর্ণ ৯ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে রয়েছে। ভারত ৬ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয়, নেপাল ৩ পয়েন্টে তৃতীয় এবং ভুটান শূন্য পয়েন্ট নিয়ে চতুর্থ স্থানে অবস্থান করছে। টুর্নামেন্টের বাইলজ অনুযায়ী শীর্ষ দুই দল বাংলাদেশ ও ভারত ফাইনালে লড়বে।

দিনের প্রথম ম্যাচে ভারত ভুটানকে ৮-০ গোলে বিধ্বস্ত করে ফাইনাল নিশ্চিত করে। বাংলাদেশের ফাইনাল প্রায় নিশ্চিত থাকায় কোচ পিটার বাটলার একাদশে কিছু পরিবর্তন আনেন। তবুও ম্যাচের শুরুতেই গোল পেয়ে যায় বাংলাদেশ। তৃতীয় মিনিটে মামনি চাকমার কর্নারে নেপালের গোলরক্ষক বল নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হলে বক্সের ওপর থেকে প্রতিমা মুন্ডা নিখুঁত প্লেসিংয়ে জাল খুঁজে নেন।

গোল হজমের পর নেপাল ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করে এবং কয়েকটি আক্রমণ গড়ে তোলে। প্রথমার্ধের মাঝপথে বাংলাদেশ কোচ শান্তি মারডি ও আলপি আক্তারকে মাঠে নামান। আলপি নামার পরই আক্রমণে গতি ফিরে পায় বাংলাদেশ। প্রথমার্ধের ইনজুরি সময়ে আলপির গোলে ব্যবধান দ্বিগুণ করে ২-০ লিড নিয়ে বিরতিতে যায় দলটি।

দ্বিতীয়ার্ধে নেপাল আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি। কাউন্টার অ্যাটাক থেকে আলপি দারুণ দক্ষতায় গোলরক্ষককে পরাস্ত করে ব্যবধান বাড়ান। এরপর আরও একটি গোল করলে স্কোরলাইন দাঁড়ায় ৪-০। ম্যাচের শেষ দিকে নেপাল ১০ জনের দলে পরিণত হয়। বক্সের সামান্য সামনে থেকে আলপির নেওয়া ফ্রি কিক নেপালের গোলরক্ষক অসাধারণভাবে ঠেকিয়ে দেওয়ায় হ্যাটট্রিকের সুযোগ হাতছাড়া হয়।

গ্রুপ পর্বে বাংলাদেশ তিন ম্যাচে মোট ১৮ গোল করলেও একটিও গোল হজম করেনি। আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি ফাইনালে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ ভারত। রাউন্ড রবিন লিগে ভারতকে ২-০ গোলে হারানোর অভিজ্ঞতা থাকায় ফাইনালের আগে মানসিকভাবে এগিয়ে থাকবে অর্পিতারা ও তার সতীর্থরা।