২৪ জানুয়ারি ২০২৬, ০৩:০৫ পি.এম

মাছের ঘেরে লাফ দিয়েও শেষ রক্ষা হলো না আওয়ামী লীগ নেতার

মাছের ঘেরে লাফ দিয়েও শেষ রক্ষা হলো না আওয়ামী লীগ নেতার

চকরিয়ার বাংলা বাজার এলাকায় শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে বিশেষ অভিযান চালিয়ে সাবেক ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি **দিদারুল হক সিকদার (৪২)**কে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর নাম হাতে নথিভুক্ত করার পর প্রথমে তাকে চক্রিয়া সেনা ক্যাম্পে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় এবং পরে চকরিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয় বলে জানিয়েছেন এলাকায় দায়িত্বশীলরা। 


স্থানীয়দের কাছে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তারের সময় দিদারুল হক একটি চায়ের দোকানে বসে ছিলেন। আচম্বিতে সেখানে পৌঁছায় যৌথ বাহিনীর তিনটি গাড়ি। দ্রুত পরিস্থিতি বুঝে তিনি দোকান থেকে বের হয়ে পাশের একটি মাছের ঘেরে লাফ দেন, কিন্তু কাদায় আটকা পড়ায় সেখানে থেকেই পুলিশ সদস্যরা তাকে ধরেন। 


কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার কোনাখালী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি দিদারুল হক সিকদারকে (৪২) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার বাংলা বাজার এলাকায় সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনা করে গ্রেপ্তার করা হয় তাকে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দিদারুল হক সাবেক সংসদ সদস্য জাফর iআলমের সমর্থক হিসেবেই এলাকায় পরিচিত ছিলেন। ২০১১ এবং ২০১৬ সালে তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়ন নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। তবে ২০২১ সালে দলীয় সিদ্ধান্ত অগ্রাহ্য করে চেয়ারম্যান পদে পুনরায় প্রার্থী হওয়ায় তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। 


চকরিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. ফরিদ হোসেন বলেন, দিদারুল হক সিকদারের নামে হত্যাসহ মোট তিনটি মামলায় তাকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ২০২১ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থান সময়ে চট্টগ্রামে মোহাম্মদ ওয়াসিমকে হত্যা করা সংক্রান্ত একটি মামলা। দীর্ঘ সময় ধরে পুলিশ তাকে ধরতে অনুসন্ধান চালিয়ে আসছিল। 


চকরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মো. মনির হোসেন জানিয়েছেন, গ্রেপ্তার দিদারুল হককে আজ চকরিয়া সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হবে।