ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ৫ দিনব্যাপী শহীদ ওসমান হাদি স্মৃতি বইমেলার শুরু হয়েছে। ডাকসু ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তরুণ কলাম লেখক ফোরামের যৌথ উদ্যোগে রোববার সকালে ছাত্র শিক্ষক কেন্দ্রের পায়রা চত্বরে এ মেলা উদ্বোধন করা হয়।
বইমেলার উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান। মেলায় অংশগ্রহণ করছে ২২টি প্রকাশনা সংস্থা। বইমেলা ১৮ থেকে ২২ জানুয়ারি চলবে এবং প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত সাধারণ জনতার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।
শহীদ ওসমান হাদিকে স্মরণে বইমেলার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও আলোচনা সভাও অনুষ্ঠিত হবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েমের সভাপতিত্বে এবং ঢাবি লেখক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক আবিদ হাসান রাফির সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- অরোরা স্পেশালাইজড হসপিটাল লিমিটেডের ডা. মো. মাহফুজুর রহমান, মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন সম্পাদক ফাতেমা তাসনিম জুমা, তরুণ কলাম লেখক ফোরামের উপদেষ্টা ও সাবেক সভাপতি আমজাদ হোসেন হৃদয়, ডাকসুর সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ, আন্তর্জাতিক সম্পাদক খান মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন, সমাজসেবা সম্পাদক এবি জোবায়ের, লেখক ফোরামের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহিম ও ঢাবি শাখার সভাপতি আশিক খান।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান বলেন, “শহীদ ওসমান হাদি সর্বদা ন্যায় ও মজলুমের পক্ষে এবং আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিতেন। তার হত্যাকাণ্ড শুধু একজন ব্যক্তিকে নয়, বরং একটি আদর্শকে হত্যা করার চেষ্টা। আমরা দ্রুততম সময়ে শহীদ হাদি হত্যার ন্যায়বিচার দেখতে চাই।”
ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম বলেন, “শহীদ ওসমান হাদি দেখিয়েছেন আমাদের লড়াই কাদের সঙ্গে। হত্যার মধ্য দিয়ে তাদের আশা ছিল আদর্শ নিভিয়ে দেওয়া, কিন্তু তারা পারতে পারেনি। হাদির আদর্শ বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে। আমরা তার হত্যাকারীদের বিচার নিশ্চিত করে রাখব, ইনশাআল্লাহ।”
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় লেখক ফোরামের সভাপতি আশিক খান বলেন, “বইমেলার মূল লক্ষ্য হলো ওসমান হাদির জীবন, আদর্শ ও সংগ্রাম নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরা। বইয়ের মাধ্যমে প্রতিবাদী চেতনাকে জাগ্রত করা এবং মুক্তচিন্তার হাতিয়ার হিসেবে পাঠকে প্রতিষ্ঠিত করা।”