১১ জানুয়ারি ২০২৬, ০৩:৩৮ পি.এম

ইন্টারনেট বন্ধের বক্তব্য কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে শুনলেন পলক

ইন্টারনেট বন্ধের বক্তব্য কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে শুনলেন পলক

ইন্টারনেট বন্ধের বিষয়ে গণমাধ্যমে দেওয়া নিজের বক্তব্য আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে শুনতে হলো সাবেক প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলককে। মামলার অভিযোগ গঠনের শুনানিতে প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে ট্রাইব্যুনালের বিচারকের সামনে তার সেই বক্তব্য পাঠ করে শোনানো হয়।

শুনানিতে প্রসিকিউশন জানায়, ‘ইন্টারনেট বন্ধ করিনি, বন্ধ হয়ে গেছে’—এমন বক্তব্য দিয়ে সাবমেরিন ক্যাবল কাটা বা বিটিসিএল ভবনে আগুন লাগার কথা প্রচার করা হয়েছিল। এতে ইন্টারনেট বন্ধের দায় ছাত্র-জনতার ওপর চাপানোর চেষ্টা করা হলেও বাস্তবে তা হয়েছিল তৎকালীন সরকারের সরাসরি নির্দেশে।

একইসঙ্গে ইন্টারনেট ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বন্ধের বিষয়ে সালমান এফ রহমান ও জুনাইদ আহমেদ পলকের মধ্যে হওয়া কথোপকথনও ট্রাইব্যুনালে পড়ে শোনানো হয়। প্রসিকিউশনের দাবি, এসব ঘটনার নীলনকশা তৈরি করেছিলেন সজীব ওয়াজেদ জয় ও পলক।

এই মামলায় প্রসিকিউশনের অভিযোগ গঠনের শুনানি শেষ হয়েছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ আগামী ১৫ জানুয়ারি আসামিপক্ষের শুনানির দিন নির্ধারণ করেছেন।

এর আগে গত বুধবার অভিযোগ গঠনের শুনানি হওয়ার কথা থাকলেও পলাতক আসামি সজীব ওয়াজেদ জয়ের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী নিয়োগসংক্রান্ত চিঠি ইস্যু না হওয়ায় শুনানি মুলতবি করা হয়। পরে তার পক্ষে স্টেট ডিফেন্স হিসেবে আইনজীবী নিয়োগ দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য, গত ৪ ডিসেম্বর মামলার আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল হলে তা আমলে নেয় ট্রাইব্যুনাল। সেদিনই সজীব ওয়াজেদ জয় ও জুনাইদ আহমেদ পলকের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১।

এদিন প্রসিকিউশন আরও জানায়, মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শেখ হাসিনার আমৃত্যু কারাদণ্ডের সাজা বাড়ানোর আবেদন সোমবার ও মঙ্গলবারের মধ্যে শুনানির জন্য চেম্বার আদালতে উপস্থাপন করা হবে।